"ছেলে আমার সিভিক টিচার, চপ ভাজছে বৌ।" সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী!!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সদ্য মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন স্কুলগুলিতে ইন্টার্ন অর্থাৎ শিক্ষানবিশ শিক্ষক নিয়োগের কথা। আর তারপরেই ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছেন শিক্ষক পদপ্রার্থীরা। শিক্ষানবিশ শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে আগামি ২১ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ডেপুটেশন জমা দেবেন WBPTTA এর সদস্য শিক্ষকরা। একই সাথে উন্নয়ন ভবনে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় জমায়েত করবেন দুপুর ১টায়।
শিক্ষকদের তরফে অভিযোগ, এটি রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়ার সামিল। যেখানে শিক্ষকতার যোগ্যতা নির্ণায়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে চাকরিহীন অবস্থায় বসে রয়েছেন প্রার্থীরা সেখানে এইভানে ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ আসলে এনসিটিই রুলের পরিপন্থী। এটিকে 'ভোট কামানোর' প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পিন্টু পাড়ুই। অন্যদিকে স্নাতক পাশদের ইন্টার্ন অর্থাৎ শিক্ষানবিশ শিক্ষক হিসেবে স্কুলে নিযুক্ত করা হবে৷ ভাতা হিসেবে দেওয়ক হবে ২০০০ এবং ২৫০০ টাকা। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরেই রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে চাকরি প্রার্থীরা।
এই প্রসঙ্গে সিপিআইএম নেতা শ্যামল চক্রবর্তী বলেছেন, এটি কোনো সমস্যার সমাধান করবে না। বরং একে 'ঠিকা শিক্ষক নিয়োগ' হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। শ্যামল বাবুর দাবি, এভাবে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত আসলে নিজের দলের কর্মীদের সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা মাত্র।
পাশাপাশি বছরের পর বছর নিয়োগ আটকে থাকা শিক্ষক পদপ্রার্থীরা তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত কে। ফেসবুক, ট্যুইটার প্রভৃতি সোশ্যাল সাইট ভরে গেছে ইঙ্গিত পূর্ন একটি ছড়ায়। "আতাগাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ / ছেলে আমার সিভিক টিচার, চপ ভাজছে বৌ।" আর এই ছড়ার শ্লেষ কাকে নাম না করে বিদ্ধ করছে তা প্রশ্নহীন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল!
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.