এনআরএসে কুকুর কাণ্ডের পিছনে আরও কারা?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ 'অতিষ্ঠ হয়ে চারটে কুকুরছানাকে পিটিয়ে আধমরা করেছিলাম। ওই অবস্থায় তাদের ফেলে এসেছিলাম সুপারের অফিসের কাছে। বুঝতে পারিনি, ওরা মরে যাবে।'
গ্রেপ্তারির পর পুলিশের প্রাথমিক জেরার মুখে এই দাবি করেছেন এনআরএসের নার্সিং পড়ুয়া দুই তরুণী। ধৃতদের দাবি, তাঁরা শুধু চারটি কুকুরছানাকেই মারধর করেছিলেন। এনআরএস নার্সিং হস্টেল চত্বরে মৃত্যু হওয়া ১৬টি সারমেয় শাবকের মধ্যে বাকি ১২টির ব্যাপারে কিছুই জানেন না। ধৃত দুই ছাত্রীর এহেন বক্তব্য সারমেয় রহস্যে নতুন মাত্রা জুড়েছে।এদিন পাঁচজন নার্সিং ছাত্রী তথা হস্টেলের আবাসিক ও দুই নিরাপত্তারক্ষীকে যৌথভাবে ডেকে পাঠায় এনআরএসের তিন সদস্যের টিম ও পুলিশ।

 এন্টালি থানায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ নিশ্চিত হয়, মূল অভিযুক্ত দুই তরুণী হচ্ছেন সোমা ও মৌটুসি।তাঁদের জেরা শুরু হতেই ভেঙে পড়েন তাঁরা। স্বীকার করেন, পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হাতে আসা কুকুর নিধনের ভিডিওয় যে দুই তরুণীকে দেখা গিয়েছে, তা তাঁরাই।

 গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেরার মুখে দুই ছাত্রী দাবি করেন, রবিবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে একটার মধ্যে তাঁরা কুকুরছানাগুলিকে রড দিয়ে মারতে থাকেন। এতে চারটি কুকুরছানা আধমরা হয়। তাদের তাঁরা প্লাস্টিকবন্দি করে ফেলে দিয়ে আসেন। বাকি ১২টি কুকুরছানার মৃত্যুর দায় দু'জন নিজেদের উপর নিতে না চাইছেন না। তাঁদের দাবি, এই ঘটনার পিছনে অন্যরাও আছে।
DESCRIPTION OF IMAGE

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.