Header Ads

২১শে ফেব্রুয়ারি।

বাণী পণ্ডিতঃ ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ঢাকার রাজপথে মাতৃভাষার(বাংলা) জন্য যে লড়াই শুরু হয়েছিলো ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক তাকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতির মাধ্যমে যেন তার বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো।
আজ ২১শে শুধু তাই বাংলার নয়,গোটা বিশ্বর।যার অর্থ প্রত্যেক ভাষাকে সম্মান প্রদান।বর্তমান বিশ্বে যে ৬৯০০ টি (আনুমানিক) ভাষা রয়েছে তাদের সহাবস্থান।কোনো ভাষা যেন অপর কোনো ভাষার চাপে শেষ না হয়ে যায়।এক ভাষা যেন অপর ভাষাকে গ্রাস না করে।তবুও তো আমরা পারছি না ক্রমবর্ধমান ইংরেজির গ্রাস থেকে সন্তানদের রক্ষা করতে।ইংরেজি মাধ্যম স্কুলেই সন্তানদের ভর্তি করে দিচ্ছি।"জানেন দাদা আমার ছেলের বাংলাটা ঠিক আসে না"-বলে গর্বিত হচ্ছি।এর গভীরে যে কারণটা লুকিয়ে আছে বেমানান শোনালেও সেটি হলো কর্মসংস্থান।

আজ কি সরকারি কি বেসরকারি সর্বত্র চাকরির ক্ষেত্রে ইংরেজি জানাটা আবশ্যিক।তাই স্বাভাবিক ভাবেই আজকের বাবা মায়েরা একমাত্র বা দুইমাত্র সন্তানকে 'মাতৃদুগ্ধ' থেকে বৈমাত্রেয় দুগ্ধের দিকেই ঠেলে দিচ্ছে।এটা যে সর্বদাই বাংলা ভাষাকে ঘৃনা তাই নয়,সন্তানের ভবিষ্যৎ আর্থিক ভিতকে শক্ত করার একটা প্রাথমিক প্রয়াস।আর এই ইংরেজি আগ্রাসন থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হলে কর্মসংস্থানের প্রেক্ষিতটাও সেইরকম তৈরি করা প্রয়োজন।নইলে শুধু আবেগ দিয়ে বাংলা ভাষাকে বাঁচানো যাবে না।
Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.