Header Ads

"রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য তৃণমূল বিদ্যাসাগরকেও ছাড়ল না!" অভিযোগ বিজেপি শিক্ষক সেলের

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল বিদ্যাসাগর কলেজে তৃণমূল বিজেপির সঙ্ঘর্ষের মাঝে ভাঙা হয় বিদ্যাসাগরের মুর্তি। তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপি ভেঙেছে আর বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল ভেঙেছে। উল্লেখ করা যায় তৃণমূল আর বিজেপি দুই দলই ভাঙা ভাঙিতে যথেষ্ট পারদর্শী। বিজেপির ঝুলিতে আছে লেনিন, সুকান্তর মুর্তি ভাঙার গৌরব আর তৃণমূলের হাতে বিধানসভা ভাঙার জয়ধ্বজা। যাই হোক পরস্পর বিরোধী প্রচারের মাঝেই একে অপরের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামল বিজেপি আর তৃণমূল।
আজ বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে আজ কলকাতার ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে মৌন অবস্থান করল ভারতীয় জনতা পার্টির শিক্ষক সংগঠন বিজেপি শিক্ষক সেল। আজকের এই অবস্থান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি লকেট চ্যাটার্জী। লকেট চ্যাটার্জী বলেন "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূলী গুন্ডারা সুপরিকল্পিতভাবে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে যে কক্ষে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ছিল, সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হোক এবং দোষী যারাই হোক তাদের চরমতম শাস্তি দেওয়া হোক।"
বিজেপি শিক্ষক সেলের রাজ্য কনভেনার দীপল বিশ্বাস বলেন "মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বদনাম করার জন্য এই ফন্দি করেছিল, যাতে ভোট বাক্সে বাঙালীর সেন্টিমেন্টে আঘাত দিয়ে সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর এই পরিকল্পনা ধরে ফেলেছে। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে রাজনীতি করার জবাব উনি আগামী ১৯শে মের ভোটে পেয়ে যাবেন।"
 বিজেপি শিক্ষক সেলের প্রাথমিক শাখার রাজ্য কো-ইনচার্জ সব্যসাচী ঘোষ এবং বুদ্ধদেব মন্ডল বলেন "বাঙালী হিসাবে নিজেদের পরিচয় দিতে আজ লজ্জা লাগছে। যে মহাপুরুষের বর্ণপরিচয় পড়ে আমরা শিক্ষা লাভ করলাম, রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য তৃণমূল সেই মহাপুরুষকেও ছাড়ল না। আমরা সমস্ত শিক্ষক প্রজাতি তৃণমূল কংগ্রেসের এই চূড়ান্ত নোংরামির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.