Header Ads

বিমাতৃসুলভ আচরন শিক্ষামন্ত্রীর? পড়ুয়াহীন স্কুলে চপ ভাজবেন শিক্ষকরা।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুরু হয়ে গিয়েছে প্রবল ঘুর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডব। আর ফণীর প্রভাবে এরাজ্যের স্কুল গুলিতেও পড়েছে যথেষ্ট প্রভাব। কেন? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে নজরে রাখতে হবে শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা, নবান্নের বিজ্ঞপ্তি এবং শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জীর বক্তব্যকে।
প্রচণ্ড গরম আর প্রবল ঘুর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় স্কুল শিক্ষা দফতর কার্যত টানা দুমাস ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্যের সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল গুলিতে। স্কুল শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ফণী আর প্রচণ্ড গরমের জন্য আজ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি থাকবে স্কুল।

পাশাপাশি নবান্ন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, আজ এবং কাল দুদিন রাজ্যের ৮টি জেলার সমস্ত স্কুল/মাদ্রাসা গুলিতে ছুটি থাকবে। জেলা গুলি হল পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতা। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই দুদিন বন্ধ থাকবে স্কুল, শিক্ষক ও পড়ুয়া উভয়কেই আসতে হবেনা স্কুলে। অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় একই বিষয় নিয়ে জানিয়েছেন, ছুটি শুধু পড়ুয়াদের! শিক্ষকদের আসতে হবে স্কুলে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, "এই ছুটি শুধু পড়ুয়াদের। শিক্ষকদের নয়। অতিরিক্ত ছুটির দিনগুলিতে তাঁদের স্কুলে আসতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা কেন আসবেন না? অন্যেরা অফিসে কাজ করছেন না?"
এখানেই উঠছে প্রশ্ন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী-নবান্ন-এবং শিক্ষা দফতরের কথা এমন সামঞ্জস্যহীন কেন? কোন বক্তব্য সঠিক? শিক্ষকদের প্রশ্ন শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রী এমন বিমাতৃসুলভ আচরন করছেন কেন? স্কুলে পড়ুয়াই যদি না আসে তাহলে শিক্ষকরা এসে কি করবেন! মজার ছলে এক শিক্ষকের উত্তর "কি আর করব, চপ ভাজব!"
Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.