মেয়র কন্যার পরে এনআরএস-এর পাশে কাকলি পুত্র! ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে তৃণমূল

নজরবন্দি ব্যুরো: জুনিয়র ডাক্তারের আক্রান্ত হবার পরে টানা ৪ দিন ধরে চলছে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। এক্ষেত্রে জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থন জুগিয়েছে সিনিয়র ডাক্তাররা। আবার জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এসএসকেএমের নার্সরাও। অন্যদিকে, রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা লাগাতার আন্দোলন করছেন। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
চার ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত সরকারি হাসপাতাল থেকে কর্মবিরতি তুলে নিতে হবে। গতকাল এমন হুমকি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এরপরেও ছবিটা বদলায়নি। বরঞ্চ বিদ্রোহের আগুন আরও ভয়ঙ্কর আকার নেয়।

গতকাল ডাক্তারদের প্রতিবাদ আন্দোলনকে সমর্থন যুগিয়েছিলেন ফিরহাদ কন্যা সাব্বা হাকিম। আর আজ এই আন্দোলনকে সমর্থন জানালেন কাকলি পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদার। "যেভাবে ২০০ জন দুষ্কৃতীদের দল সরকারি হাসপাতালে প্রবেশ করে একজন ২৩ বছরের ডাক্তারকে কার্যত মেরে ফেলেছিল সেটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। ২০০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেটাও আশানুরূপ নয়।" মুখ খুললেন বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদার। পোস্টটির হেডলাইনে তিনি লেখেন "আমি এনআরএস-এর পাশে আছি। গোল্লায় যাক রাজনীতি।"

প্রসঙ্গত, গতকালই এই একি ইস্যুতে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের সমর্থন জানিয়েছেন ফিরহাদ কন্যা সাব্বা হাকিম।
কেপিসি মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক সাব্বা নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে ডাক্তার নিগ্রহের তীব্র প্রতিবাদ করেন। লেখেন, "সরকারি ও অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালের আউটডোর বয়কট করেছেন ডাক্তাররা। কিন্তু জরুরি বিভাগে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। মানবিকতার খাতিরে অন্য পেশার মতো আমরা কাজ বন্ধ করতে পারি না। কিন্তু বাস বা ট্যাক্সি ধর্মঘটও হয়, সেখানে ট্যাক্সি চালক বা বাসচালকরা আপনাকে পরিষেবা দেবেন না, সে পরিস্থিতি যাই হোক।'

এই ইস্যুতে আবার পাশে দাঁড়ান খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও এনআরএস  ইস্যুতে ডাক্তারদেরই সমর্থন করেন। সব মিলিয়ে ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। 
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.