সংসদে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূলকে চাপে রাখার কৌশল নিলেন দিলীপ!

নজরবন্দি ব্যুরো: এবার সংসদে মুখ্যমন্ত্রীর কাটমানি ইস্যুতে সরব হলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ বলেন, "এ রাজ্যে এখন একটা নতুন জিনিস উদ্ভব হয়েছে।
তা হল কাটমানি। আমরা এর আগে কখনও শুনিনি।" এরপর কাটমানি কি তার ব্যাখ্যাও করেন দিলীপ-বাবু। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, কাটমানির জন্য নেতা-মন্ত্রীর ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে জনতা। খোদ মুখ্যমন্ত্রীই কাটমানি বন্ধের জন্য আইন আনবেন বলেছেন। দিলীপের কথায়,  নিরঙ্কুশ ক্ষমতা নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার চালাচ্ছেন। কিন্তু তাদের নেতা, মন্ত্রী, কাউন্সিলররা নাম লেখাচ্ছেন বিজেপিতে।
মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, এ রাজ্যে সরকার আছে, আইন নেই। থানা আছে, পুলিশ নেই। স্কুল-কলেজ থাকলেও বহু বার ধরনায় বসছেন শিক্ষক ও শিক্ষা-কর্মীরা। এমনই সোনার বাংলা তৃণমূল নেত্রী আমাদের উপহার দিয়েছেন। এ দিন দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, ভাষা নিয়ে বিভেদ তৈরি করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বিহারিদের 'বাহারি' বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। বাংলা শিখে এ রাজ্যে প্রবেশ করতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী নিদান দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন দিলীপ।
তাঁর কটাক্ষ, হেমা মালিনী যদি গঙ্গা স্নানে যান, তাহলে ওনাকেও কি বাংলা শিখতে হবে?

এর পরে দিলীপ বাবু বাংলায় চলতে থাকা হিংসা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। দিলীপ বলেন, দেশের ৫৪২টি আসনের মধ্যে শুধুমাত্র ৪২টি আসনে হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। ওখানে ভোটার থাকলে ভোট দেওয়ার অধিকার নেই বলে গুরুতর অভিযোগ করেন দিলীপ।  মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ইভিএম-এ হারলে ব্যালট করার দাবি তুলছেন, ব্যালটে হারলে নির্বাচনই বন্ধ করে দিতে চাইবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। শেষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জন্য নির্বাচনী প্রচারে বাংলাদেশ থেকে অভিনেতা নিতে হয়েছে তাঁকে। এভাবেই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দিলীপ ঘোষ তৃণমূল নেত্রীকে কঠোর সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করলেন। 
DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.