পাঁচশো-র বেশি ডাক্তারের ইস্তফা, ডক্টর্স ফোরাম-রাজ্যপালের হস্তক্ষেপে মিটবে সমস্যা?#Exclusive

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নজিরবিহীন অবস্থার মুখোমুখি রাজ্য। রোগীর আত্মীয়দের মারে গুরুতর আহত এনআরএস হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায়। মাথার খুলিতে গুরুতর চোট পাওয়া চিকিৎসকের চিকিৎসা চলছে মল্লিকবাজারের ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেসে। এখন তিনি বিপদমুক্ত, কিন্তু বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছেন রাজ্যের অগনিত সাধারণ মানুষ। ডাক্তার-রা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার দাবীতে লাগাতার কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন।মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পর কার্যত জেদ বেড়ে গিয়েছে ডাক্তারদের। দিল্লীর এইমস থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক একাধিক হাসপাতাল সমর্থন জানিয়েছে এনআরএস-এ আন্দোলনরত ডাক্তারদের প্রতি।
ডক্টর্স ফোরাম(WBDF) এবং ডক্টর ফর পেসেন্ট(DOPA) পাশে দাঁড়িয়েছে জুনিয়ার ডাক্তারদের। WBDF-এর সভাপতি সারদদত্ত মুখোপাধ্যায় এবং DOPA- সভাপতি কৌশিক চাকী জানিয়ে দিয়েছেন সিনিয়ার ডাক্তাররাও পাশে আছে জুনিয়ারের। কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন তারাও। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেদ নিয়ে বসে রয়েছেন, ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন ডাক্তারদের, ফলে পরিস্থিতি প্রতি মুহুর্তে আরও প্রতিকূল হচ্ছে। রাজ্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে গন ইস্তফায় সামিল হয়েছেন ডাক্তার-রা।  এনআরএস হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ও সুপার সহ ইস্তফা দিয়েছেন ১০৭ জন ডাক্তার৷ এসএসকেএম হাসপাতালেও ২০০ জন চিকিৎসক গণইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন৷ আরজিকর হাসপাতালে ১০৮ জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন। ন্যাশন্যাল মেডিক্যাল কলেজে ৩৫ জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন৷ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ইস্তফা দিয়েছেন ১০জন চিকিৎসক। এছাড়াও সিউড়ি মেডিক্যাল কলেজে ৬৭ জন চিকিৎসক, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে ১৫ জন চিকিৎসক এবং সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে ২০জন চিকিৎসক ইস্তফা দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জন ডাক্তার ইস্তফা দিয়েছেন রাজ্য জুড়ে।
পাশাপাশি আজ রাজপথেও আন্দোলনে নামলেন ডাক্তার-রা। এনআরএস থেকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত মিছিল হয় ডাক্তারদের। মিছিলের স্লোগান ছিল "বাঁচতে চাই, বাঁচাতে চাই।"
উল্লেখ্য, আজ দুপুরে রাজ্যপালের সাথে সাক্ষাত করেন সারদদত্ত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিনিয়ার ডাক্তারদের এক প্রতিনিধি দল। তাঁরা রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন। পাশাপাশি তাঁরা রাজ্যপাল কে জানান তিনি নিজে গিয়ে যেন এনআরএস এ জুনিয়ার ডাক্তারদের সাথে কথা বলেন। তাঁরপরে তারাও সচেষ্ট হবেন যেন কর্মবিরতি উঠে যায়, কারন দু পক্ষের জেদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর রাজ্যপাল এনআরএসএ যাবেন এবং জুনিয়ার ডাক্তারদের সাথে কথা বলবেন। 
DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.