সব্যসাচীর বিরুদ্ধে ৩৫ জনের অনাস্থা! শেষ রাউণ্ডে মুকুল কে মাত দিলেন মমতা। #Exclusive

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুল রায় এবং সব্যসাচী দত্তকে রবিবার রাতে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ার পর থেকেই সব্যসাচীর বিরুদ্ধে রীতিমত যুদ্ধংদেহি মনোভাব নিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। গত কয়েকমাস ধরেই সব্যসাচী আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন তৃণমূলের শৃঙ্খলার মধ্যে তিনি আর নেই! কিন্তু সরাসরি তৃণমূল বিরোধিতার পথেও হাঁটেননি তিনি। বরং তৃণমূল শীর্ষ নেতাদের প্যাঁচে ফেলে সুচারু রাজনৈতিক কৌশল অবলম্বন করেছেন তিনি।
ইঙ্গিত স্পষ্ট যে তিনি দল থেকে বেরবেন না, বরং দল তাঁকে বের করে দিলে সোনায় সোহাগা-র মত ব্যাপারটা হয়। একেবারে মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুর ধাঁচে! আর সব্যসাচীর এই রাজনীতির কোচ যে মুকুল রায় তা আকার ইঙ্গিতে দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। খেলা তো আর সব্যসাচী বনাম ববি হাকিমের হচ্ছেনা বরং হচ্ছে মুকুল বনাম মমতার। আর সব্যসাচী রাউন্ডে যে মুকুল জয়ী তা বলাই বাহুল্য।গতকাল ফিরহাদ হাকিম সব্যসাচীকে দল থেকে তাড়ানোর পরোক্ষ ইঙ্গিত দিয়েই দিয়েছেন অর্থাৎ বিধাননগর পুরসভার ভোটাভুটি আসন্ন। মানে ঠিক যেমনটি চাইছিলেন মুকুল রায় ঠিক সেই ফাঁদেই পা দিয়েছে তৃণমূল। আসলে কিছু করারও ছিল না। বিধাননগর পুরসভায় ভোটাভুটি হওয়া মানেই সব্যসাচীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের অনাস্থা তার মানেই সব্যসাচীর সামনে উন্মুক্ত বিজেপি-র দরজা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম রাউন্ডে হেরে গেলেও শেষ অর্থাৎ ফাইনাল রাউন্ডেও যে হেরে যাবেন তার কি মানে আছে? গতকালের ইঙ্গিতের পর আজ সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল তৃণমূল।৪১ জন কাউন্সিলারের মধ্যে ৩৫ জন অনাস্থা প্রস্তাবে সই করেছেন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, বিধাননগর পুরসভায় মোট ৪১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে রয়েছেন ১ জন করে সিপিআইএম ও কংগ্রেস কাউন্সিলার। বাকি ৩৯ জন তৃণমূলের! আগামী সাত থেকে পনেরো দিনের মধ্যে বোর্ড মিটিং ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। যদি মেয়র সব্যসাচী(পিছনে মুকুল রায়) নিজের দিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলারদের আনতে সক্ষম না হন তাহলে বলাই বাহুল্য মুকুল রায় কে শেষ রাউণ্ডে মাত দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! 
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.