Header Ads

একুশে ২০০ আসন পেয়ে সরকার গড়বে দল; রাজ্য বিজেপির পাওয়ার ভয়েস শুধুই দিলীপ!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ লোকসভা নির্বাচনে অভুতপূর্ব সাফল্য পেয়ে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড এখন থেকেই ২০২১ সালে রাজ্যে হতে চলা বিধানসভা নির্বাচন কে পাখির চোখ করেছে।
আর ২১শের নির্বাচনের লক্ষস্থির করতেই দূর্গাপুরে ২ দিনের চিন্তন বৈঠক বসেছে বিজেপি-র। আলোচনার মূল লক্ষ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কে রাজ্যের ক্ষমতায় নিয়ে আসা। চিন্তন বৈঠকে কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের সামনেই এলাকা ভিত্তিক রিপোর্ট তুলে ধরেন রাজ্যের নেতারা। শনি এবং রবিবার দুদিন ধরে রাজ্যে প্রতিটি বিধানসভার সাম্প্রতিক চিত্র ঘিরে চুলচেরা আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেনন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ-সহ দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিংহ, মুকুল রায়।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মূলত ২টি বিষয়কে হাতিয়ার করে এখন থেকেই রাজ্য জুড়ে প্রচারে নামবেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। প্রচারের মূল দুটি বিষয় হল, তৃণমূলের বিরুদ্ধে 'কাটমানি' আন্দোলন কে আরও তীব্রতা দেওয়া এবং কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা কেন প্রত্যাহার করা হল, তার ফলে দেশবাসী কি কি সুবিধা পাবে সেই প্রচার কে ব্যাপকতা দেওয়া হবে। এছাড়াও নিজেদের সদস্য সংগ্রহ অভিযানকেও নির্দিষ্ট টার্গেটে বেঁধেছে বিজেপি। বলা হয়েছে আগামী ২০ আগষ্ট পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে, লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি সদস্য।
এদিন চিন্তন শিবিরে গোর্খ্যাল্যাণ্ড ইস্যুটিও ওঠে। সাংসদ রাজু বিস্ত প্রশ্ন তোলেন, যে জিটিএ অর্থাৎ গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তৈরি করে দিয়েছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।যার মধ্যেই ‘গোর্খাল্যান্ড’ কথাটি রয়েছে৷ সুতরাং পৃথক গোর্খাল্যান্ড বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গোর্খাল্যাণ্ড স্বীকৃত হলে অসুবিধার কি আছে? উল্লেখ্য, কাশ্মীরের রাস্তা ধরে গতকালই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গোর্খাল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।
এদিনের বৈঠক শেষে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান ২০২১ এর বিধানসভায় কমপক্ষে ২০০ আসনে জিতবে বিজেপি। উল্লেখ্য বিষয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে এবার থেকে শুধুমাত্র দিলীপ ঘোষ সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলবেন। তিনি ছাড়া অন্য কেউ বিজেপি-র পক্ষে কোন মতামত মিডিয়াকে দিতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, এদিন চিন্তন বৈঠক চলাকালীন গোষ্ঠী দ্বন্দ প্রকাশ্যে আসে বিজেপির। আদি বনাম নব্য বিজেপির লড়াই বচসা থেকে প্রায় হাতাহাতিতে পৌঁছে গিয়েছিল। অদি বিজেপি-র অভিযোগ আসানসোল-দুর্গাপুরে বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘড়ুই পুরনো অর্থাৎ আদি বিজেপি-র নেতা কর্মীদের সম্মান দেন না। তিনি সবসময় তৃণমূল থেকে আগত নতুন বিজেপি নেতাদের নিয়ে কাজকর্ম সারেন। আদির অভিযোগের পাল্টা সুর চড়ায় নব্যরা! শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে রাজ্য নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে। 
Loading...

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.