উন্নয়ন, উন্নয়ন আর উন্নয়ন! রাজ্যের স্বাস্থ কথা ফেসবুকে পোষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে ২০১১ সালের পালাবদলের পর থেকেই স্বাস্থ্য দফতর মুখ্যমন্ত্রীর হাতে রয়েছে। স্বাস্থ্যের মতো একটি অতি প্রয়োজনীয় পরিষেবাকে পূর্ণমন্ত্রী বিহীন করে রাখার জন্য বামেরা প্রথম থেকেই সরব। বাম আমলে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বর্তমানে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে শিশু মৃত্যর জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় মুখর হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সরকারী স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধায়্যা কোন ধরনের আপোষ করতে নারাজ বিভিন্ন সময়ে ঠারে ঠারে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক ওয়ালে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল হকিকৎ তুলে ধরেছেন। নিজের ফেসবুক ওয়াল পোস্টে মমতা লিখেছেন, ' রাজ্যের সরকারি সমস্ত হাসপাতালে চিকিৎসা, ডায়গোনস্টি এবং জীবনদায়ী ওষুধ এখন বিনামূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে'। মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে দাবি করেছেন, ' ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা পরিষেবা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ প্রবীণ নাগরিকেরা এই সুবিধা পেয়ে থাকেন'। মুখ্যমন্ত্রী এরপরেই যোগ করেছেন, 'স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের শুরুর সময় থেকে এই প্রকল্পের এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পেয়ে চলেছে। আর এই প্রকল্পকে ধারাবাহিক এবং নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালানোর জন্য ইতিমধ্যেই ৬৭০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ করা হয়েছে'।
রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোতে শুধুমাত্র রাজ্যের মানুষ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে তাই নয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশি রাজ্য অসম, উড়িষ্যা, ঝারখন্ড, বিহার, সিকিম থেকেও প্রান্তিক মানুষের বাংলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে আসে সরকারি চিকিৎসা পাওয়ার কারণে। এমনকি বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান থেকেও রোগীরা এই রাজ্যে আসে সরকারি চিকিৎসার জন্য। মুখুমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক ওয়ালে  পোস্ট করতে গিয়ে লিখেছেন, 'স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে বর্তমানে ১৪৭২ টি সরকারী হাসপাতাল এবং ৯৮৩ টি বেসরকারী হাসপাতাল্কে অধীনে আনা হয়েছে। এর ফলে লাভবান হচ্ছে রাজ্য এবং রাজ্যের মানুষেরা'।
বিরোধীদের অস্ত্র ভোঁতা করার লক্ষ্য নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক ওয়ালে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এখনকার চিত্রকে তুলে ধরেছেন।
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.