Header Ads

'রাজনৈতিক নেতৃত্বদের কাজ মানুষকে ভুল পথ দেখানো না'- বললেন সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশ জুড়ে চলছে CAA বিরোধী আন্দোলন। আর এই আন্দোলন এক অরাজকতার সৃষ্টি করেছে। আন্দোলনের নামে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হচ্ছে। এবার এই আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত বলেন, "CAA বিষয় টা সাধারণ মানুষের কাছে পরিস্কার নয়। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনটা সম্পুর্ণ জানা ও বোঝা উচিৎ। মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আন্দোলনের নামে দেশ জুড়ে অশান্তি চলছে। ছাত্রদের আন্দোলন হিংসা ছড়াচ্ছে। দেশে অশান্তি বাধানো, অশান্তিতে নেতৃত্ব দেওয়া কখনোই একজন আদর্শ নেতার লক্ষ্মণ হতে পারেনা।" তিনি এই ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজনৈতিক দল গুলির উপরে। বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে দেশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এই দিন তিনি আরও বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হওয়ার পরে, রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরে তা আইনে পরিণত হয়। এই আইন দেশে লাঘু হবে জানার পরেই গোটা দেশে অশান্তি বেড়ে গেছে।
 এই আইনের বিরুদ্ধে দেশের সকল নাগরিক প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। ছাত্রছাত্রী, চাকুরীজীবী, শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ থেকে শুরু করে অভিনেতা অভিনেত্রীরাও এই আন্দোলনে শুর মিলিয়েছেন। এই আন্দোলনের কারণে বেশ কিছু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। পুলিশের উপর আক্রমণ, বদলে পুলিশের পালটা আক্রমণ চলছে দিনের পর দিন। দেশবাসীদের ধারণা দেশের গণতন্ত্রকে মান্যতা না দিয়ে ধর্মের উপর ভিত্তি করে এই আইন তৈরী হয়েছে। এই আইনের ফলে এক ধর্মের মানুষকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বদের কাজ মানুষ কে ভুল পথ দেখানো না। সেনা প্রধানের মন্তব্য শুনে পাল্টা জবাবে বিরোধীদের কেউ বলেছেন - 'ওনার উচিত সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়া।' আবার কেউ বলেছেন - 'সেনা প্রধান রাজনীতি থেকে দুরে থাকুন।' নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশ জুড়ে চলছে CAA বিরোধী আন্দোলন। আর এই আন্দোলন এক অরাজকতার সৃষ্টি করেছে। আন্দোলনের নামে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হচ্ছে। এবার এই আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত বলেন, "CAA বিষয় টা সাধারণ মানুষের কাছে পরিস্কার নয়। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনটা সম্পুর্ণ জানা ও বোঝা উচিৎ। মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। আন্দোলনের নামে দেশ জুড়ে অশান্তি চলছে। ছাত্রদের আন্দোলন হিংসা ছড়াচ্ছে। দেশে অশান্তি বাধানো, অশান্তিতে নেতৃত্ব দেওয়া কখনোই একজন আদর্শ নেতার লক্ষ্মণ হতে পারেনা।" তিনি এই ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজনৈতিক দল গুলির উপরে।
বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে দেশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। এই দিন তিনি আরও বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হওয়ার পরে, রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরে তা আইনে পরিণত হয়। এই আইন দেশে লাঘু হবে জানার পরেই গোটা দেশে অশান্তি বেড়ে গেছে। এই আইনের বিরুদ্ধে দেশের সকল নাগরিক প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। ছাত্রছাত্রী, চাকুরীজীবী, শ্রমিক শ্রেনীর মানুষ থেকে শুরু করে অভিনেতা অভিনেত্রীরাও এই আন্দোলনে শুর মিলিয়েছেন। এই আন্দোলনের কারণে বেশ কিছু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। পুলিশের উপর আক্রমণ, বদলে পুলিশের পালটা আক্রমণ চলছে দিনের পর দিন। দেশবাসীদের ধারণা দেশের গণতন্ত্রকে মান্যতা না দিয়ে ধর্মের উপর ভিত্তি করে এই আইন তৈরী হয়েছে। এই আইনের ফলে এক ধর্মের মানুষকে দেশ থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বদের কাজ মানুষ কে ভুল পথ দেখানো না। সেনা প্রধানের মন্তব্য শুনে পাল্টা জবাবে বিরোধীদের কেউ বলেছেন - 'ওনার উচিত সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়া।' আবার কেউ বলেছেন - 'সেনা প্রধান রাজনীতি থেকে দুরে থাকুন।'
Loading...

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.