Header Ads

সংশোধিত বেতন কাঠামোয় গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের বঞ্চনা অব্যাহত! আদালতের দ্বারস্থ BGTA

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনেক কাটখড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত স্কুল শিক্ষার ক্ষেত্রে সংশোধিত বেতন চালুর জন্য বিশেষ নির্দেশিকা(রিভিশন অ্যান্ড পে অ্যালাওয়েন্স 'রোপা' ২০১৯) সবার সামনে নিয়ে এল রাজ্য সরকার। সরকারের উদ্যোগেই প্রকাশিত হল সংশোধিত রোপা৷রোপা কার্যকর হবে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের ক্ষেত্রে।
সংশোধনী রোপার আওতায় আনা হচ্ছে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদেরও।  বিষয়টি নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় দপ্তরের উচ্চ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করে রাজ্য সরকার দ্রুত সমাধানের পথে হাঁটতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। মূল জটিলতা রয়েছে ২০০৯ ও ২০১৬তে যোগদেওয়া শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। করতে সমস্যা তৈরি হবে৷ তবে রাজ্যের প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের বেতনের  সঙ্গে সাজুয্য রেখেই এই সংশোধিত বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই শিক্ষক ও অশিক্ষককর্মীরা বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। শিক্ষক সংগঠনগুলির আন্দোলন ও দীর্ঘদিনেই এই দাবিমেনেই কার্যকর হতে চলেছে রোপা।
তবে এখানে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের নিয়ে। গ্রাজুয়েট শিক্ষকদের টিজিটি স্কেল ও ৪৬০০ গ্রেড পে বিষয়টি এখনও অপরিষ্কার। গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের আলাদা বেতন কাঠামো নিয়ে কিছু বলা নেই রোপাতে। উল্লেখ্য রাজ্যে প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক রয়েছেন।
গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকদের এই বঞ্চনা নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিজিটিএ। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সৌরেন ভট্টাচার্য তীব্র প্রতিবাদ করে জানিয়েছেন, "চার বছর ধরে একটি পে-কমিশনের কাজ করল, তারপর যে ববিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল তাতে গ্রাজুয়েট টিচারদের সম্পর্কে কিছু বলা হল না। এটি আদালত অবমাননা। আমরা এই বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের জন্য আদালতে যাব। আদালতের অপর আমারদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বিচার আমরা পাবই।"
সৌরেন আরও জানান, "আমরা স্কুলের স্বার্থে শতকরা ৮০ শতাংশ স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের ক্লাস নিই, এবং বিষয়গুলি ধরে ও রাখি।
কিন্তু আমাদের সাথে করা হচ্ছে চুড়ান্ত প্রবঞ্চনা। আমাদের জন্য নির্ধারিত টিজিটি স্কেল আমাদের দেওয়া হয় না দীর্ঘ দু দশক ধরে। সরকারের কাছে আবেদন নিবেদন, আইনানুগ গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন, এমনকি হাই কোর্টে ম্যান্ডামাস জারী হওয়ার পর ও যদি আবার আমরা বঞ্চিত হই তাহলে চরম সীদ্ধান্ত তো নিতেই হবে! আমরা সমস্ত রকম মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি।তাকিয়ে আছি শুধু শিক্ষা দপ্তরের রোপা'র দিকে। ঐ রোপায় আমরা যদি ৯০০০ থেকে ৪০৫০০ পে স্কেল ও ৪৬০০ গ্রেড পের হিসাব ধরে ২০০৬ থেকে নোশানাল বেনিফিট সহ পে স্কেল না পাই তাহলে সাথে সাথেই আমরণ অনশনে বসব,এবং ঠিক তার আগের দিন সারা পশ্চিম বঙ্গে সমস্ত গ্র‍্যাজুয়েট টিচার রা উচ্চ মাধ্যমিক স্তর থেকে ইস্তফা দেবেন।" পাশাপাশি তার মন্তব্য, "স্বয়ং শিক্ষা মন্ত্রী যদি তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারেন তো চুড়ান্ত আন্দোলন ছাড়া আমরা আর কিই বা করতে পারি!"
Loading...

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.