Header Ads

বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের পাশে মমতার সরকার, নবান্নে জারি নির্দেশিকা।

নজরবন্দি ব্যুরো: বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। ২৭ হাজার টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নির্দেশিকা জারি নবান্ন থেকে। ন্যূনতম ১ হাজার টাকা পর্যন্ত সাহায্য দেওয়া হবে এমনই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে রাজ্যের কৃষি দপ্তর থেকে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,যে মৌজায় ৩৩ শতাংশ বা তার বেশি পরিমাণ জমিতে ফসলের ক্ষতি হয়েছে,সেখানে এই নির্দেশিকা বলে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলি জেলায় বুলবুল ঘূর্ণিঝড় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।এই জেলাগুলিতেই রাজ্যের কৃষি দপ্তর আর্থিক সাহায্য দিতে চলেছে। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে,কোন কোন ধরনের শস্যের ওপর কি হারে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। সেচ জাত ফসলের ক্ষেত্রে হেক্টর প্রতি ১৩,৫০০ টাকা আর বৃষ্টির জলে যে জমিতে চাষ হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে দেওয়া হবে আর্থিক সাহায্য ৬,৮০০ টাকা হারে।
 নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে, যে জমিতে একাধিক মওসুমে ফলন হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে হেক্টর প্রতি ১৮ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হবে। বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ে ধান চাষের সঙ্গে পানের বরজের ক্ষতি হয়েছে। মাঠের ফসল এর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা বলা হলেও, একাধিক ফলনশীল জমিতে ন্যূনতম ২ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নির্দেশিকা রয়েছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলার চাষী ভাইদের মুখে সভাপতি ফুটে উঠেছে হাঁসি। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের যে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে সেটি তাদের ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি জমা পড়বে। আর্থিক সাহায্যের এই বিষয়টি রাজ্য সমবায় ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের এই আর্থিক সাহায্য পেতে চাইলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ব্লক কৃষি দপ্তরের সহ অধিকর্তার কাছে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে দিতে হবে জমির পরচা, সচিত্র আধার কার্ড এবং সচিত্র ভোটার কার্ড।সঙ্গে দিতে হবে ব্যাংকের পাস বইয়ের প্রতিলিপি।
এরপর তথ্য যাচাই করা হবে।এরপর মৌজা ভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এবং কৃষকের জমির পরিমাণের ভিত্তিতে আর্থিক সাহায্য দেবে রাজ্য সরকার।এরপর বিডিও অফিস থেকে সাহায্যপ্রাপ্ত কৃষকদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। সঙ্গে এই সংক্রান্ত একটি তথ্য জেলার তথ্য দপ্তরে পাঠানো হবে।আর্থিক সাহায্য প্রাপ্তদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক গুলোতে পাঠানো হবে। রাজ্য কৃষি দপ্তর চিঠি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সাহায্যপ্রাপ্ত কৃষকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দেবে।ওই চিঠি নিয়ে যেতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।এই ভাবেই মিলবে আর্থিক সাহায্য।
Loading...

No comments

Theme images by enjoynz. Powered by Blogger.