Header Ads

আম্ফানের আগে সুন্দরবনের ভাঙন কবলিত দ্বীপ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে আনছে প্রশাসন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোটা সুন্দরবন জুড়ে মানুষের মুখেমুখে ঘুরছে একটাই নাম 'আম্ফান'। বুধবার ঘন্টায় ১৭০ থেকে ১৮০ কিমি বেগে রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে চলেছে এই ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড় ব্যাপক আকারেই ধেয়ে আসতে পারে সুন্দরবনের উপর। ঝড়ের প্রভাবে সুন্দবনের নদী ও সমুদ্র বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই উপকূল থানাগুলি মাইকিং করে বাসিন্দাদের শতর্ক করতে শুরু করেছে পুলিশ। বিপর্যয় মোকাবিলায় সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
 ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল ও উপকূল রক্ষী বাহিনীকে। বাঁধ এলাকার বাসিন্দাদের বাইতিমধ্যে সরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।কাকদ্বীপ মহকুমার চারটি ব্লকের মোট ৬৪টি সাইক্লোন সেন্টার খুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার কাকদ্বীপ মহকুমার বেহাল বাঁধগুলি পরিদর্শন করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক পি উলগানাথন। পরে মহকুমাশাসককে নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে বৈঠকে যোগ দেন জেলা শাসক। চারটি ব্লকের বিডিও ও তিনটি বিধান সভার বিধায়কও ছিলেন এই বৈঠকে। সব ধরনের শতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন জেলা শাসক। সুন্দরবনের নামখানা ব্লকের মৌসুনি দ্বীপ ও সাগরের ঘোড়ামারা দ্বীপ বহুদিন থেকেই ভাঙ্গনের মুখে। এমনিতেই এই দুই দ্বীপের বাসিন্দারা আতঙ্কে প্রহর গুনতে থাকেন।
 নিত্যদিন ভেঙে যেতে থাকে দ্বীপের পাড়। এখন আবার সুপার সাইক্লোন আমফান আসছে। এই পরিস্থিতিতে ওই দুই দ্বীপের বাসিন্দাদের ইতিমধ্যেই নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে আনার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। নামখানা মৌসুনি দ্বীপের বাসিন্দাদের সরিয়ে ৬টি স্কুল ও ৪টি সাইক্লোন সেন্টারে তুলে আনা হচ্ছে। সাগরের ঘোঁড়ামারা দ্বীপ থেকে প্রায় ১৫০০ বাসিন্দাকে কচুবেড়িয়া ও সাগরের বামনখালিতে সরিয়ে আনা হচ্ছে। যে কোন ধরনের বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।
Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.