Header Ads

‘সিইএসসি একটি প্রাইভেট সংস্থা,সরকারকে দোষারোপ করা উচিত নয়,ধৈ্র্ষ্য ধরুন’ আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমফানের দাপটে বিপর্যস্ত গোটা বাংলা। অগনিত মানুষের ক্ষতি তাঁদের ঘরবাড়ি, ফসল, সম্পত্তি। গত কাল প্রধানমন্ত্রী নিজে এসে সব দেখে গিয়াছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কত তা এখনও ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতে এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবারহ ঠিক করা যায়নি, খাবার জল ও ঠিক হয় নি এখন। গাছ পরে রাস্তা বন্ধ। দিন রাত এক করে কাজ করছে বিপর্যয় মুকাবিলা দল। চারপাশ জুড়ে ভেঙে গাছ, ল্যাম্প পোস্ট সহ বহু কিছু। নেই বিদ্যুত্, জেলা তো বটেই, কলকাতার বিভিন্ন অংশে ৭২ ঘন্টা কেটে গেলেও অন্ধকার। এই অবস্থায় মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।
শহরের বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জেলাতেও ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিইএসসি একটি প্রাইভেট সংস্থা সিপিএমএর আমল থেকেই। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারকে দোষারোপ করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে বহু কর্মী বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কর্মীর অভাবে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। সমস্যাটাও মানুষকে বুঝতে হবে বলে মনে করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তবে বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি পাকাতে উসকানিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আবেদন, উসকানিতে পা দেবেনা। ধৈ্র্ষ্য ধরুন।'
 অপর দিকে সিইএসসি-র তরফে এ দিন স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, যে সমস্ত এলাকায় তাদের ওভারহেড বিদ্যুত্‍ সংযোগ রয়েছে, সেখানেই এখনও পরিষেবা স্বাভাবিক করা যায়নি। মূল কলকাতার বাইরে বৃহত্তর কলকাতার বিভিন্ন এলাকাতেই এখনও সমস্যা রয়েছে বলে সংস্থার তরফে স্বীকার করা হয়েছে। মানুষের এই দুর্ভোগের জন্য ক্ষমাও চেয়েছে সিইএসসি কর্তৃপক্ষ। তবে সংস্থার তরফে এ দিন জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের মধ্যেই সর্বত্র পরিষেবা স্বাভাবিক করা যাবে বলে আশাবাদী তারা।
Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.