Header Ads

আমফানের মোকাবিলায় প্রস্তুত বিদ্যুৎ দপ্তর, জানালেন মন্ত্রী

নজরবন্দি ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এ রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কলকাতার একাধিক অঞ্চল। সেই বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখেই রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তর পূর্ণ শক্তিতে দুর্যোগ মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এদিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যে কোনওরকম পরিস্থিতির জন্য বিদ্যুৎ দপ্তর তৈরি আছে। করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রগুলি ও অন্য হাসপাতালে যাতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌসম ভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেল থেকেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হতে পারে বাংলায়। বঙ্গোপসাগর-পৃষ্টে তৈরি এই ঘূর্ণিঝড়ের বেগ রয়েছে সর্বোচ্চ ২২০ থেকে ২৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যদিও স্থলভাগে এসে সেই বেগ কমে ১৬৫-১৭৫ থেকে ১৯৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হবে এমনটাই আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। সুপার সাইক্লোন আমফান পশ্চিম মধ্য ও পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

১৪ কিলোমিটার গতিবেগে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয় অভিমুখ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর। বুধবার বিকেল বা সন্ধ্যের দিকে এটি চরম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে দিঘা-হাতিয়ার মধ্যে স্থলভাগের প্রবেশ করবে, মূলত সুন্দরবন এলাকায়।মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওড়িশার উপকূলের জেলাগুলিতে। দুপুরের পর থেকে মেঘলা আকাশ ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টি পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার।

অপরদিকে, প্রবল বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে কলকাতার একাধিক এলাকায়। শহরের বহু জায়গায় অনেক পুরনো বাড়ি রয়েছে। সেগুলোর ক্ষতি হতে পারে বলে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। রাস্তার ধারে বড় বড় গাছ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে সেগুলো উপড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই ওই সময়ে বাড়ির বাইরে না থাকার জন্য শহরবাসীদের পরামর্শ দিয়েছে আবহওয়া দফতর। সেই সঙ্গে দোকান-বাজার বন্ধ রাখার কথাও বলা হয়েছে।

বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, "গত দু-দিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ দপ্তরের পক্ষ থেকে। ইতিমধ্যে বড় ও ছোট সিঁড়ি মজুত করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ট্রান্সফর্মার, ডিজেল সেট থাকছে রাজ্যের সমস্ত জায়গায়। করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রগুলি ও অন্য হাসপাতালের যাতে ঝড়ের সময় সমস্যা না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।" 
Loading...

কোন মন্তব্য নেই

lishenjun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.