Header Ads

DESCRIPTION OF IMAGE

অজানা গল্পে "মাতৃদিবস"! আজকের প্রতিবেদন!

নজরবন্দিঃ কবে থেকে শুরু হয়েছিল মাদার্স ডে? জানেন কি? ‘মাদার্স ডে’ সারা পৃথিবীতেই পালিত হয়। কিন্তু এটি প্রথম শুরু হয়েছিল মার্কিন দেশে। ঠিক কীভাবে শুরু হল এই উদযাপন, এর পিছনের গল্পটিই বা কী, জেনে নিন... প্রথম ‘মাদার্স ডে’ উদযাপিত হয় ১৯০৮ সালে। অ্যানা জারভিস ছিলেন এই উদযাপনের উদ্যোক্তা। মার্কিন দেশের পশ্চিম ভার্জিনিয়ার সেন্ট অ্যান্ড্রুজ মেথডিস্ট চার্চে আয়োজিত হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠান। ওই চার্চটিই এখন ইন্টারন্যাশনাল মাদার্স ডে শ্রাইন। তবে তখনও ‘মাদার্স ডে’কোনও অফিসিয়াল হলিডে ছিল না।মায়েদের জন্য একটি বিশেষ দিনকে চিহ্নিত করার জন্য ১৯০৫ সাল থেকে ক্যামপেন শুরু করেন অ্যানা এবং শেষ পর্যন্ত উড্রো উইলসন মাদার্স ডে-কে একটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন।

তখনও অবশ্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদের দায়িত্বভার পাননি। ১৯১০ সালে না যেখানে থাকতেন সেই পশ্চিম ভার্জিনিয়া স্টেটেই প্রথম সরকারিভাবে এই দিনটি উদযাপিত হয়। ১৯১১-তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব স্টেটেই উদযাপিত হয় মাদার্স ডে। প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন-ই স্থির করেন যে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মাদার্স ডে হিসেবে উদযাপিত হবে। কিন্তু ঠিক কি কারণে অ্যানা লড়াই করেছিলেন এই বিশেষ দিনটির জন্য? তার পিছনে রয়েছে এক মায়ের গল্প, অ্যানার মায়ের গল্প।

 

১৮৬৮ সালে অ্যান জারভিস, যিনি ছিলেন অ্যানা জারভিসের মা, একটি কমিটি তৈরি করেন। সেই সময়ে আমেরিকার গৃহযুদ্ধে যে সব পরিবারের পুরুষেরা অংশ নিয়েছিলেন বা যাঁদের ছেলেরা যুদ্ধে মারা গিয়েছিলেন, সেই সব পরিবারগুলি যাতে একে অপরের সহায় হয়ে ওঠে, সেই উদ্দেশ্যেই তিনি একটি বিশেষ দিনকে ‘মাদার্স ফ্রেন্ডশিপ ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। তার আগে তিনি কর্মরতা মায়েদের জন্য সংগঠিত করেন ‘মাদার্স ডে ওয়র্ক ক্লাবস।

 

মায়েদের জন্য একটি বিশেষ দিন সরকারিভাবে ঘোষিত হবে এই ছিল অ্যান জারভিসের স্বপ্ন। মায়ের সেই স্বপ্নটিকেই বাস্তবে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন অ্যানা এবং শেষ পর্যন্ত সফলও হয়েছিলেন। মার্কিন দেশের এই বিশেষ উদযাপনকে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ আপন করে নেয়।

 

ভারতে ‘মাদার্স ডে’ উদযাপন কিন্তু শুরু হয়েছে ১৯৯০-এর দশক থেকে। এর পিছনে কিন্তু বাণিজ্যিক কারণই রয়েছে। তা সত্ত্বেও মাদার্স ডে আমাদের সকলের কাছেই অত্যন্ত ভালবাসার একটি দিন। বিজ্ঞাপন থাকুক না থাকুক, মা তো আছেন!

No comments

Theme images by sndr. Powered by Blogger.