Breaking News

এবার কি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হচ্ছেন দীপা দাশমুন্সি? জল্পনা শুরু।

নজরবন্দি ব্যুরো: লোকসভা নির্বাচনের আগে বাংলার নেতৃত্বে বদল আনতে চাইছে কংগ্রেস হাই-কমাণ্ড। আর কিছু দিনের মধ্যে নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম ঘোষণা করবেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।


বিধানভবন সূত্রের খবর, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর উপর বাংলায় কংগ্রেসের দায়িত্ব না থাকার সম্ভবনা প্রবল। এর পাশাপাশি নয়া সভাপতির নাম নিয়েও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য কংগ্রেসের অন্দরে।

বেশ কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যেও প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, সামনেই লোকসভা নির্বাচন, আর সেই কথা মাথায় রেখেই শীঘ্রই সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে দলের হাইকম্যান্ড।

জানা গিয়েছে, জুন মাসের ২০ তারিখের মধ্যে নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম ঘোষণা হতে পারে। তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে অধীররঞ্জন চৌধুরীই থাকছেন, নাকি দায়িত্ব পাচ্ছেন অন্য কেউ, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।
সূত্রের দাবি, অধীররঞ্জন চৌধুরীকে সভাপতি থকছেন না এক প্রকার নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে এই পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন প্রদীপ ভট্টাচার্য ও দীপা দাশমুন্সি।

জানা গিয়েছে, হাইকম্যান্ডের তালিকায় এই দু’জন ছাড়াও প্রণব-পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ও মৌসম বেনজির নূরের নামও ছিল। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে চান এই দুই সাংসদ। তাই এই দু’জনই সভাপতি পদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন।

তাছাড়া অভিজিৎ এর বিরুদ্ধে তৃণমূলের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার অভিযোগ আছে। এই একই অভিযোগ আছে প্রদীপ বাবুর বিরুদ্ধে। তাই এই দুজনের সভাপতি করবে না হাইকমাণ্ড সেই বিষয়ে নিশ্চিত। এর পাশাপাশি মৌসম বেনজির সময়ের অভাব ও নিজের এলাকায় ব্যস্ত থাকার কারণে আগেই না বলেছেন।

এর পাশাপাশি এখানকার কংগ্রেসের যা রাজনৈতিক অবস্থান, তাতে একদিকে যেমন বিজেপির বিরোধিতা করা, অপর দিকে তৃণমূলকে সমান ভাবে বিরোধিতার রাস্তায় হাঁটছে তারা।
তাই সেই দিক দিয়ে বিচার করলে কোন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতাকে এই চেয়ারে বসাবেনা রাহুল। এমনটাই ধারনা বিশেষজ্ঞ মহলের। তাই সব দিক বিবেচনা করে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ মনে করেন অধীর বাবুর পরে প্রদেশ সভাপতি হচ্ছেন দীপা দাশমুন্সি।

তবে এখন দেখার ওই চেয়ারে অধীর বাবু থাকছেন, নাকি নতুন মুখ হিসাবে আসতে চলেছেন দীপা দাশমুন্সি। তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

No comments