Breaking News

ই-মনোনয়ন নিয়ে চাপে শাসক দল! রাজ্যে উন্নয়ন বাহিনীর দাপট এখনও অব্যাহত।

নজরবন্দি ব্যুরো: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভিত্তিতে রাজ্যের প্রায় ৩৪ শতাংশ আসনে এখনও পঞ্চায়েত নির্বাচন বাকি আছে। রাজ্যের শাসক দলের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাওয়া ওই সমস্ত আসন গুলির ভাগ্য নির্ধারণ হবে আগামী ৩ জুলাইয়ের শুনানির পরে। কিন্তু ওই শুনানির আগে থেকে নতুন করে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে।



প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া তৃণমূলের জিতে যাওয়া ৩৪ শতাংশ আসনে ই-মনোনয়নকে বৈধতা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ, যাঁরা পঞ্চায়েত ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরাসরি নিজেরা গিয়ে মনোনয়ন জমা করতে পারেননি, তাঁরা যদি নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-মেলের মাধ্যমে মনোনয়ন পত্র জমা করে থাকেন এবং তাদের আবেদন সঠিক হলে তারাও প্রার্থী হিসাবে স্বীকৃতি পাবেন বলে আগেই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

হাতে পাওয়া তথ্য অনুসারে শুধু মাত্র বীরভূমের ৪২টি জেলাপরিষদ আসনের মধ্যে ২০টিতে ই-মনোনয়নের জেরে ভোট হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ দখল করা তৃণমূলকে আবার নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে আর বাকি ২২টি আসনে যদি ভোট না হয়, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিচারে তারাই জয়ী। কিন্তু ওই সমস্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনগুলির জন্য সুপ্রিম কোর্ট নতুন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা তা নিয়েও চাপা টেনশন রয়েছে শাসক দলের প্রতিনিধিরা। যার স্পষ্ট ছবি ধরা পড়েছে জেলায় জেলায়।

আপাতত যা খবর, তাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ই-মনোনয়ন জমা দেওয়া বিরোধী দলের প্রার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা শুরু হয়েছে। এই তালিকাতে নাম রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার। এ ছাড়া বজবজ-২ ব্লকে পঞ্চায়েতে ই-মনোনয়ন জমা পড়েছে ১৭টি। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৩টি এবং জেলা পরিষদে ১টি। সিপিআই(এম) এর দাবি, ওই এলাকায় তৃণমূলের গুণ্ডা বাহিনী ই-মনোনয়ন দাখিলকারীদের উপর হুমকি দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে ওই এলাকায় ই-মনোনয়ন জমা দেওয়া পাঁচ প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগও উঠেছিল।
তাই নির্বাচনের পরেও তৃণমূলের উন্নয়ন বাহিনীর দাপট প্রায় প্রতিটি জেলায় অব্যাহত।

No comments