Header Ads

ডিএ মামলার রায়দান চলতি মাসে। তবে কি এ মাসেই মিলতে চলেছে সুখবর?

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ডিএ নিয়ে ক্ষোভ অনেক দিনের। কর্মচারীদের দাবি বকেয়া ডিএ ও কেন্দ্রীয় হারে বেতন দিতে হবে। আর এই দাবিতে এতদিন মামলা চলছিলো আদালতে। আর আজ সেই মামলা শুনানি শেষ হল। শেষ শুনানির দিনেই ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি শুনানি শেষ করতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত অতিরিক্ত একদিন চান তাঁর বক্তব্য পেশের জন্য। আজ সেই শুনানির সময় কিশোর-বাবু বিভিন্ন উদাহরণ টেনে বোঝাতে চান একই পদে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম বেতন কাঠামো বর্তমান। বিচারপতিরা তা শুনে বলেন  আপনাদের দেওয়া উদাহরণ অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে বেতন পার্থক্য, তা শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য বা স্থান বিশেষের পার্থক্যের জন্য। কিন্তু রাজ্য সরকারের এই নিয়ে কি কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে?এর জবাবে কিশোর-বাবু বলেন, 'না কোনো নিয়ম নেই'। আর এর পরেই তিনি বলেন ডিএর উপর কর্মচারীদের কোনও  অধিকার নেই, তা রাজ্য সরকারের ইচ্ছামত ও সামর্থ্যমত দেওয়া হয়।

কিশোরবাবুর এই বক্তব্য শুনে রীতিমত ক্ষুব্ধ হন বিচারপতিরা। পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ভারতবর্ষ তো স্বাধীন হয়ে গেছে বহু বছর এবং তার নিজস্ব একটা সংবিধান আছে। তাহলে সেই সাংবিধানিক অধিকারকে খর্ব করে  এক এক জনকে এক এক রকম বেতন কিভাবে দিতে পারেন? যেখানে কোনও নির্দিষ্ট নিয়মই নেই, সেখানে কোন পদ্ধতিতে  দিল্লির বা চেন্নাইয়ের সরকারি কর্মীর সঙ্গে রাজ্যের কর্মীদের ডিএর পার্থক্য হয়? এর পরেই প্রশ্ন তোলেন,আপনি কি বলতে চাইছেন যেসকল সরকারি কর্মীরা দিল্লি বা চেন্নাইয়ে কাজ করেন তাঁরা রাজ্যে কাজ করা সরকারি কর্মীদের থেকে অনেক বেশি যোগ্যতর? জবাবে কিশোরবাবু আরো কিছু বক্তব্য পেশ করার জন্য অতিরিক্ত আরেক দিনের দাবি করেন। এই দাবি শুনে রীতিমত হেসে ফেলেন দুই বিচারপতি। এরপরেই তাঁরা নির্দেশ দেন মামলাকারীদের পক্ষ থেকে যদি রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের সওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বলার থাকে তা আগামী ১৭-ই জুলাই শোনা হবে। আর তারপরেই এই মামলার রায়দান করা হবে।

বিচারপতিরা আজকের যেভাবে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলকে একের পর এক পাল্টা প্রশ্ন করেন,  তাতে রায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিকে যাবের সম্ভাবনা প্রবল। এমটাই মনে করেন ওয়াকিবহাল মহল।
DESCRIPTION OF IMAGE
Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.