Header Ads

ATAL BIHARI VAJPAYEE

২০১৫-২০১৭ ডিএলএড ব্যাচের রেজাল্ট পুজোর আগে? আন্দোলন করলেই ফেল করানোর ফতোয়া!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ২০ হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করে এবার কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্তারা। শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করলেই পর্ষদ তাঁদের ‘ফেল’ করিয়ে দিতে পারে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় ৷ তবে, এপিসি ভবন ঘোরাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে পর্ষদের হুমকি মাথা পেতে নিতে পিছপা নয় পড়ুয়া। এদিন পর্ষদের তরফে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, পুজোর আগেই প্রকাশ হতে পারে ২০১৫-২০১৭ ডিএলএড ব্যাচের রেজাল্ট। প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে শিক্ষক সংক্রান্ত সমস্ত ব্যাপারেই একাধিক সমস্যায় জর্জরিত রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা । দু’বছরের ডিএলএড কোর্স, কিন্তু সেই কোর্স করতে তিন বছর সময় অতিক্রান্ত। আর তাই পড়ুয়াদের অভিযোগ, "পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের গাফিলতির জেরে চরম সমস্যায় ২০১৫-২০১৭ ডিএলএড ব্যাচের কয়েক হাজার আমাদের মতন পড়ুয়া।" দুই বছরের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পর তৈরি হয় বিতর্ক। আর তার পরে পর্ষদের চাপের মুখে পড়ে পার্ট টু ফাইনাল পরীক্ষা নিতে বাধ্য হয়েছিল। তারপর থেকে আট মাস সময় কেটে গেলেও আজও পার্ট টু-এর ফাইনাল রেজাল্ট প্রকাশ করতে পারেনি।


NCTE-র গাইড লাইনে স্পষ্ট ভাবে বলা আছে কোনোভাবেই এই কোর্সকে শেষ করতে দু’বছরের বেশি সময় নেওয়া যাবে না, কিন্তু পর্ষদ সেই নির্দেশিকাকে অগ্রাহ্য করে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করছে। এই রাজ্যে টেট পরীক্ষার কোনও নিয়মনীতি নেই। শিক্ষার বেহাল দশা। শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও আছে একাধিক সমস্যা। তাই সেই দিক দিয়ে দেখলে এই রাজ্যের পড়ুয়াদের ভরসার জায়গা সেন্ট্রাল টেট পরীক্ষা। এই পরীক্ষা নিয়ম মেনে প্রতি বছর হয়ে আসছে। যাদের বয়স-সীমা পার হয়ে যাচ্ছে তারা চরম উদ্বিগ্ন।

আবার ইতিমধ্যেই সি টেটের বিজ্ঞপ্তি বেরিয়ে গেছে। পর্ষদের খামখেয়ালিপনায় ২০১৫-২০১৭ ডি এল এড ব্যাচ গতবারও সি টেটে বসতে পারেনি। আবার ৩ বছর পরেও এখনও তাদের ফল না মেলায় এবারও তারা ট্রেন্ড হিসেবে টেটের ফর্ম পূরণ করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভে ফেটে পড়া ছাত্র-ছাত্রীরা গতকাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচিতে যোগ দেয়। প্রসঙ্গত, আদালত ২০১৫-২০১৭ ডিএলএড ব্যাচের ফল প্রকাশের জন্য কড়া নির্দেশ দেয়। কিন্তু পর্ষদ সেই নির্দেশ অমান্য করে আদালত অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ করেন এক পড়ুয়া।

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.