Header Ads

শিক্ষামন্ত্রী কি ওয়েটিং লিস্ট দুর্নীতি চাপা দিতে চাইছেন? সততার বুলি কোথায় ? প্রশ্ন তুলছেন হবু শিক্ষকরা।

নজরবন্দি ব্যুরো: শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পৌরোহিত্যে সদ্য বাংলার শাসক দলে যোগ দিয়েছিলেন বামফ্রন্টে সরকারের খাদ্য-মন্ত্রী পরেশ অধিকারী। তার পর কিছুটা অপ্রত্যাশিত ভাবেই রাতারাতি তাঁর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর নাম উঠে যায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের মেধা তালিকার ওয়েটিং লিস্টে।
এর পাশাপাশি তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান! মেয়েদের ওয়েটিং লিস্টে ফার্স্ট গার্ল হয়ে যান পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা। অথচ তার কয়েক ঘণ্টা আগে যে তালিকা প্রকাশ করে ছিল কমিশন, তাতে কোথাও ছিল না অঙ্কিতার নাম। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বৃহস্পতিবার এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, হঠাৎ মেধা তালিকা বদল হল কেন? কীভাবেই বা তালিকায় এল কোচবিহারের সদ্য প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা পরেশ অধিকারীর মেয়ের নাম?
তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রশ্ন শুনেই চটে ওঠেন তিনি। পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, “ কিছু প্রমাণ আছে? কে বলেছে, ওঁর নাম আগে তালিকায় ছিল না?” এ কথা বলেই রাগী-রাগী লাল মুখ করে চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী।
পার্থ বাবুর এই কথা থেকে এটা পরিষ্কার এটা কোন নিছক টেকনিক্যাল সমস্যা নয় বা সরকার চালাচ্ছেন যে সব মহান মানুষ গুলো তাদের অজানা নয়। তারা জেনে-বুঝে এই কাজ করেছেন। যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে সততার প্রতীক বলে দাবি করেন সেই রাজ্যে এমন সব দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে যা স্বাধীনতার পরে এই রাজ্যে তা কোন দিন ঘটেনি। আর এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী চুপ কেন? আর এর পরেও কি তিনি দাবি করবেন তাঁর সরকারের মন্ত্রী ও আমলারা সৎ ? প্রশ্ন আমাদের নয়, প্রশ্ন তুলছেন হবু শিক্ষকরা।
Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.