Header Ads

৭ বছর পর জেগে উঠল ঘুমন্ত দৈত্য! কালো মাথার আধিক্যে লাল প্রতিবাদে মুখরিত বাংলা! #Exclusive

অর্ক সানাঃ  ক্ষমতা চলে গেছে সেই ২০১১ সালে! তারপর থেকে মিডিয়ার ভাষায় শুধুই রক্তক্ষরন অব্যাহত। ২০১৬ তে বিধানসভার আসন সংখ্যা তলানিতে চলে আসার পরে অনেক সাধারণ মানুষের সাথে সিপিআইএম সমর্থকরাও ভাবতে শুরু করেছিলেন সিপিআইএম শেষ! ২০১৪-র বিজেপি ঝড় এরাজ্যে তেমন না পড়লেও ২০১৭-র শেষ থেকে কার্যত সিপিআইএম সমর্থকদের ভরসার কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায় বিজেপি! 
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল তার প্রমাণ। বিরোধী দলে কংগ্রেস থাকলেও আপামর পশ্চিমবঙ্গবাসী জানত বা জানে এরাজ্যে বিরোধী দল সিপিআইএম! কিন্তু সেই বিশ্বাস নড়ে গেছে কয়েক মাস আগে। আর ঠিক এই অবস্থায় যেন খোলস ছেড়ে বেরোল সিপিআইএম! বলা ভাল ৭ বছর পর রাজ্যে বামেরা অনুভব করল তারা এখন বিরোধী দলে৷ আজ জেল ভরো কর্মসূচীর সাফল্য প্রশ্নাতীত৷ মিছিলের ছায়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে৷ হিন্দু-মুসলমান, ঘটি-বাঙাল, মধ্যবিত্ত-গরীব, স্ত্রী-পুরুষ বিশেষ করে কাঁচা চুলের মাথার আধিক্য মুছিয়ে দিয়েছে সব ভেদাভেদ!  পিঠে পেট ঠেকে যাওয়া জনতা কি তাহলে সঠিক দিশা খুঁজে পাওয়ার লক্ষে মিছিলে সামিল হল৷ এত কাঁচা চুলের যুবক কোথায় ছিল? এ লড়াই কি তাহলে বাঁচার লড়াই ৷ ভাতের লড়াই৷ 
উত্তরে শিলিগুড়ি, কোচবিহার-দক্ষিণে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্বমেদিনীপুর, হুগলী থেকে পশ্চিমে - আসানসোল, মুর্শিদাবাদ.... অবাধ্যতার ঢেউ আছড়ে পড়েছে একের পর এক। জাতপাত নয় পেটের দাবিতে, ভাতের দাবিতে। ৯ই আগস্ট ১৯৪২-এ যে লড়াই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল 'ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের নামে, আর আজ বামেরা ডাক দিল " #বিজেপিহটাওদেশবাঁচাও #তৃণমূলহটাওরাজ্যবাঁচাও " সিপিআইএম সূত্রে খবর গতকাল রাত থেকে লোক পাঠাতে শুরু করেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগণার গ্রামে গ্রামে।হুমকি দিতে।ফলতা-ডায়মন্ড হারবার সীমান্তে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী ও সিপিআই(এম) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক শমীক লাহিড়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা-গুলি ছোড়ে তৃণমূল।
এক ঝলকে দেখে নিন আজকের জেল ভরো আন্দোলন, গোটা রাজ্য জুড়ে ঠিক কি ছিল চিত্রটা।

কলকাতা(লালবাজার অভিযান)





উত্তর ২৪পরগণার বারাসতে জেল ভরো কর্মসূচী



বর্ধমান শহরে পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক কৃষকসভার সম্পাদক অমল হালদার, মহিলা নেত্রী অঞ্জু কর সহ নেতৃবৃন্দ গ্রেপ্তার



পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলে জেল ভরো কর্মসূচী



মালদা শহরের ছবি

পূর্ব মেদিনীপুরে জেল ভরো



জলপাইগুড়ির ছবি



বহরমপুর ডিএম অফিস




নজরবন্দি ব্যুরো রিপোর্টঃ আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে রাজ্যজুড়ে ধুন্ধুমার! বামেরা জীবিত প্রমাণ করলেন বাম সমর্থকরা। ট্রেনে, বাসে, ট্রামে একটা আলোচনা চলে, এই রাজ্যে বামেরা শেষ। আর বামেদের জায়গা নিচ্ছে বিজেপি। আর যদি এই মুহূর্তে তৃণমূলকে টক্কর দিতে পারে তা হল নরেন্দ্র মোদীর দল! এমন একটা ধারণা তৈরির চেষ্টা চলছে। আর আজ রাজ্য তথা সারা দেশে যেভাবে বাম সমর্থকরা তাদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি পালন করলেন তাতে কিছুটা হলেও চমকে গিয়েছেন এই রাজ্যের শাসক দল।
সারা দেশজুড়ে কৃষকদের বিভিন্ন দাবিতে বাম সংগঠন গুলির জেল ভরো কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পড়ল এই রাজ্যে। আজ বামেদের এই আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে রাজ্যজুড়ে ধুন্ধুমার অবস্থার সৃষ্টি হল। রাজ্যের একাধিক এলাকায় ব্যারিকেড ভাঙার জন্য পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হল বাম আন্দোলনকারীদের।আবার কোথাও মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। সম কাজে সম বেতন, সব শ্রমিকের মাসিক ন্যূনতম ৩০০০ টাকা পেনশন, কৃষকদের সামাজিক সুরক্ষা সহ একাধিক দাবি নিয়ে দেশজুড়ে ৪০০টি জেলায় বৃহস্পতিবার জেল ভরো কর্মসূচির ডাক দেয় বামপন্থী সংগঠনগুলি। আজকে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই এই কর্মসূচি পালিত হয়। এই কর্মসূচি ঘিরে অশান্তি যে হতে পারে তার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল রাজ্য সরকারের। বেলা ১টার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয় আন্দোলন। আর তার পরে থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে অশান্তির খবর আসতে থাকে। বারাসতের চাঁপাডালি মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। এর ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে সবচেয়ে বড় ঝামেলার খবর পাওয়া গিয়েছে কলকাতার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড-হারবারে। তবে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি হয় আন্দোলনকারীদের। এ ছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়।

No comments

Theme images by sndr. Powered by Blogger.