Header Ads

najarbandi alok somman 2018

নিয়োগের নির্দেশ পাবার পরেও নিয়োগ করেনি, কিন্তু এবার গ্রুপ-ডি নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নেবে সরকার?


নজরবন্দি ব্যুরো: মামলার জন্য রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ থেকে গ্রুপ-ডি সব কিছুতে নিয়োগ করতে পারছে না রাজ্য সরকার। এমনটাই অভিযোগ। সত্যি কি তাই? রাজ্য সরকারের নিয়োগ করার প্রবল ইচ্ছা কিন্তু আদালতে মামলার জন্য নিয়োগ করতে পারছে না।
এই কথা মানতে পারছে না এই রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের একটা বড় অংশ। তাদের যুক্তি যদি তাই হবে, তাহলে মালদাতে শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য আদালত রায় দেবার পরেও কেন রাজ্য সরকার সেখানে নিয়োগ করছে না? এর কোন উত্তর নেই রাজ্য সরকারের কাছে। এর পরেও সরকার অভিযোগ করে যাচ্ছে এতদিন মামলার ঝামেলা থাকার জন্য তারা গ্রুপ-ডি তে নিয়োগ করতে পারেনি। তাহলে এখন আর সেই আইনি ঝামেলা নেই! তাহলে আশাকরা যায় নিয়োগপত্র তাড়াতাড়ি পাবে চাকরি প্রার্থীরা!

প্রসঙ্গত, অবশেষে কাটল আইনি জট। মামলার গেরোয় আটকে থাকা গ্রুপ-ডি পরীক্ষার ফল প্রকাশে আর কোনও সমস্যা নেই। বৃহস্পতিবার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (স্যাট) এর রায়ে মামলাকারীদের বক্তব্যকে পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে। স্যাটের চেয়ারম্যান তথা জুডিশিয়াল মেম্বার সৌমিত্র পাল এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ মেম্বার পি রমেশ কুমারের বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে (অশোককুমার বনাম বিহার সরকার) উল্লেখ করে বলেছে, সরকারি পরীক্ষায় যারা ফেল করেছেন, পরবর্তী সময়ে তারা গোটা প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন না। সূত্রের দাবি, গ্রুপ-ডি রিক্রুটমেন্ট বোর্ড পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য প্রায় সবকিছু রেডি করে ফেলেছে। তবে নবান্নের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই তা শীঘ্র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীরা www.wbgdrb.in সাইটে গিয়ে সফলদের নাম দেখতে পারবেন। প্রায়


৬ হাজার গ্রুপ-ডি শূ্ন্যপদের জন্য ২৪ লক্ষ ৮৭ হাজারের কাছাকাছি আবেদন জমা পড়েছিল। তার থেকে চূড়ান্ত ইন্টারভিউয়ের জন্য ১৯ হাজার ৪৪৯ জন সিলেক্ট হয়। ২৬ শে এপ্রিল সেই প্রক্রিয়া শেষ করে বোর্ড। তারপরই এই সরকারি চাকরিতে এক্সজেমটেড ক্যাটিগরিতে সংরক্ষিত ৫১৩টি পদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বেশকিছু পরীক্ষার্থী। আর সেই অভিযোগ নিয়ে তাঁরা স্যাটে মামলা করেন। তাঁদের দাবি, নিয়ম মেনে এই ক্যাটিগরিতে ১৮০০ গ্রুপ-ডি নিতে হবে। যদিও বোর্ডের বক্তব্য, ১০০ পয়েন্ট রোস্টার মেনেই সংশ্লিষ্ট ক্যাটিগরিতে ৫১৩টি শূ্ন্যপদ রাখা হয়েছে। বোর্ডের অভিযোগ, যারা মামলা করেছেন তারা এই পরীক্ষায় সফল হয়নি। তাই গোটা প্রক্রিয়াকে ভেস্তে দিতে এই জটিলতা তৈরি করছেন বলে অভিযোগ করেন। বক্তব্যটি সরকারি আইনজীবী আদালতেও তুলে ধরেন। ৯ আগস্ট দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে হয়। কিন্তু স্যাটের দুই বিচারক ওই দিন রায়দান স্থগিত রাখেন।

script async src="//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js">

এদিন স্যাট সাফ জানিয়েছে, পরীক্ষায় ফেল করার পর কোনও প্রার্থী গোটা প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করতে পারেন না। আর এর ফলে গ্রুপ-ডি পরীক্ষার ফল প্রকাশের আর কোনও জটিলতা থাকলো না।
এর আগে মালদাতে শিক্ষক নিয়োগ করার জন্য আদালত রায় দেয়, সেই নির্দেশ মানেনি রাজ্য সরকার। এবার রাজ্যের গ্রুপ-ডি তে স্যাটের রায়ে নিয়োগ করার ছাড়পত্র পেয়েছে কমিশন। এবার দেখার কবে গ্রুপ ডি তে নিয়োগ সম্পন্ন করে রাজ্য সরকার। আর সেই দিকে তাকিয়ে রাজ্যের হাজার হাজার পরীক্ষার্থী।
Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.