Header Ads

গণেশ চতুর্থীতে নজরকাড়ল দক্ষিণ কলকাতার আমরা কজনের গণেশোৎসব।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ গণেশ চতুর্থী বা গণেশোৎসব হিন্দু দেবতা গণেশের বাৎসরিক পূজা-উৎসব। শিব ও পার্বতী পুত্র গজানন গণেশ হিন্দুদের বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের সর্বোচ্চ দেবতা। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন এই দিন গণেশ তাঁর ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে মর্ত্যে অবতীর্ণ হন। সংস্কৃত, কন্নড়, তামিল ও তেলুগু ভাষায় এই উৎসব বিনায়ক চতুর্থী বা বিনায়ক চবিথি নামেও পরিচিত। সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মোৎসব রূপে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে পালিত হয় এই উৎসব।

হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থী তিথিতে গণেশের পূজা বিধেয়। সাধারণত এই দিনটি ২০ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মাঝে কোনো এক দিন পড়ে। দশদিনব্যাপী গণেশোৎসবের সমাপ্তি হয় অনন্ত চতুর্দশীর দিন। গণেশ পূজা ভারতের সর্বত্র অনুষ্ঠিত হলেও এই উৎসব মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাট, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হয়। ভারতের বাইরে নেপালে এই উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। শ্রীলঙ্কায় তামিল হিন্দুরাও এই উৎসব পালন করে থাকেন।

তবে গত কয়েক বছর ধরে গনেশ চতুর্থীর স্বাদ নিচ্ছে কলকাতাও। বাঙালি বরাবরই উৎসব প্রিয়। তাই সিদ্ধিদাতা গনেশের পুজোও বাড়ছে দিনদিন।
কল্কাতা-র একাধিক পুজোর মধ্যে এবছর নজরকেড়েছে দক্ষিন কলকাতার ঢাকুরিয়ার আমরা কজনের পুজো। আমরা কজন পরিচালিত গণেশ চতুর্থীর মূল উদ্যোক্তা প্রিতম দত্ত। তিনি নজরবন্দি কে জানিয়েছেন এই পুজোর জন্যে বাইরে থেকে কোন চাঁদা তোলা হয়না। বরং আমরা কজনের সদস্যরা নিজের চাঁদা দিয়েই এই পুজো করেন।

 এই বছর গণেশ চতুর্থীতে আমরা কজনের পুজো উদ্বোধন করেছেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের স্বামীজি মহারাজ। তিনি বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে এই পুজার শুভ উদ্বোধন করেন। স্বামীজি মহারাজের হাত দিয়েই সূচনা হয় আমরা কজনের পক্ষথেকে শাল বিতরনের অনুষ্ঠান।
প্রিতম বাবু জানিয়েছেন এই বছর ভোগ গ্রহন করেছেন সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ভক্ত। ভোগ ছিল পোলাও আর আলুর দম। এই বছর ৭ম বর্ষে পা দিল আমরা কজনের গণেশ চতুর্থী।  

No comments

Theme images by sndr. Powered by Blogger.