Header Ads

নজরবন্দি এডিটোরিয়াল থেকে তীব্র সমালোচনার জের, সরানো হচ্ছে বিদ্যাসাগর সেতুর গাছ!!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পোস্তা, উল্টোডাঙা, মাঝেরহাট  রাজ্যে লাগাতার ব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনায় পর গত ৫ই সেপ্টেম্বর নজরবন্দি পোর্টালের এডিটর অর্ক সানা নিজের কলামে তীব্র সমালোচনা করেন রাজ্য সরকারের। মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় হুগলী সেতু অর্থাৎ বিদ্যসাগর সেতুর উপর থেকে সৌন্দর্যায়নের নামে ভারি ভারি টবে লাগানো গাছ কে সরানোর জন্য রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আবেদন। সেদিন ওই এডিটোরিয়াল প্রকাশিত হওয়ার পর এভাবে সমালোচনা করার জন্যে একাধিক ফোন আসে নজরবন্দির দফতরে।  একাধিক পোষাকি হেভিওয়েট সংবাদমাধ্যমের সাথে তুলনা করে বলা হয় নজরবন্দির মত একটা পুঁচকে নিউজ পোর্টাল কি বলল তাতে সরকারের কিছু এসে যায় না। নজরবন্দির যেন সব কিছুতেই সমস্যা! সরকারের সমালোচনা ছাড়া নজরবন্দির আর কোন কাজ নেই! 

আবার অনেক ফোন আসে সাধুবাদ দেওয়ার জন্যে। বিক্রি হয়ে যাওয়া কার্যত দাস বনে যাওয়া মিডিয়ার যুগে নজরবন্দি এই এডিটোরিয়াল লিখতে পেরেছে এটাই বিড়াট ব্যাপার। বাকি বহুল প্রচারিত সংবাদমাধ্যম গুলি এই কথা বলার সাহস পেতনা। যাই হোক অনেক আলোচনা আর সমালোচনার পর নজরবন্দির এডিটর অর্ক সানার লেখা কে গুরুত্ব দিতে বাধ্য হল রাজ্য সরকার। নির্দেশ দেওয়া হল বিদ্যাসাগর সেতু থেকে সৌন্দর্যায়নের নামে বসানো ভারি ভারি টব সরানোর। টিম নজরবন্দির পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্যে আন্তরিক অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। 

 নজরবন্দির এডিটর অর্ক সানা নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আমি যতটা চিনি তাতে তিনি বরাবর সাহস এবং সত্যি কথা কে গুরুত্ব দেন। যেটা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সাথে হয়ে থাকে সর্বদা, অকারন তৈল মর্দন, তা একেবারেই পছন্দ করেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমার পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্যে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী কে অশেষ অভিনন্দন জানাচ্ছি। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ আগামীদিনে আমদের আরও ভাল কাজ করার জন্যে অনুপ্রাণিত করবে। আর অন্য তথাকথিত হেভিওয়েট সংবাদমাধ্যম গুলির কাছে আবেদন রাখছি, শিরদাঁড়া টা শক্ত রাখুন, সোজা রাখুন । সংবাদমাধ্যম একপেশে হয়ে পড়া মানে জনগনের সাথে প্রতারনা করা।"

কি ছিল গত ৫ তারিখের এডিটোরিয়াল?
আর একবার পড়ে নিন।
DESCRIPTION OF IMAGE

No comments

Theme images by sndr. Powered by Blogger.