Header Ads

হাইকোর্ট রায় উপেক্ষা প্রশাসনের?? DO/BLO নিয়ে নতুন সংগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষকদের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ DO আর BLO করতে না চাওয়া রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা একটি মামলা করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। উল্লেখ্য, শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের ব্যানারে গত ৫ই সেপ্টেম্বর অর্থাৎ শিক্ষক দিবসের দিন বেশ কিছু শিক্ষক প্রতিনিধি আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্জের সাথে দেখা করেন।

তাঁরা বিকাশ বাবুকে জানান DO আর BLO DUTY করতে চাইছেন না তাঁরা তাই কোন আইনি সমাধান আছে কিনা তাঁরা জানতে চান। তখন বিকাশ বাবু শিক্ষকদের জানান প্রাথমিক শিক্ষকদের ঘাড়ে এই ডিউটি চাপিয়ে দিয়ে বাধ্য করা হয় কাজ করতে। তা একদমই আইন সম্মত নয়।

কিন্তু বর্তমানে সেপ্টেম্বরের ১ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের শিক্ষকদের যে ডিউটি দেওয়া হয়েছে তা একদমই নিয়ম মেনে হচ্ছেনা। সুতরাং আর কোন পথ না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আইনজীবী ফিরদৌস সামিম মামলা লড়েন। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে মামলার শুনানি হয়। সেই মামলার রায়দান পর্ব ছিল আজ। বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে জানান "কখন শিক্ষকরা কাজ করতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করতে হবে,  ছুটির দিনে তালিকা সংশোধনের কাজ করতে পারবেন শিক্ষকরা"। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন "স্কুল চলাকালীন ভোটারতালিকা সংশোধনের কাজে শিক্ষকদের নিজুক্ত করা চলবে না"

এই রায় কিছুটা স্বস্তিজনক এবং আশাপ্রদ হলেও খুশি নন শিক্ষকরা। শিক্ষকদের মতে এটা শিক্ষক এবং সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতা করার মত রায়।
অন্য দিকে হাইকোর্ট এই রায় দেওয়ার পরেই শুরু হয়েছে চরম অচলাবস্থা। কারন হাইকোর্টের রায় বেরোনোর পরেও কোন রকম সরকারি বিবৃতি শিক্ষকরা পাননি বলে অভিযোগ। শিক্ষক দের আরও অভিযোগ সরকারি বিবৃতি হাতে না আসার জন্যে আধিকারিকদের একটা বড় অংশ বিএলও বা ডিও-র কাজ করার জন্যে চাপ দিচ্ছেন তাঁদের।

এরই প্রতিবাদে আগামী ৯ অক্টোবর বিকেল ৩টের সময় শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের প্রতিনিধিরা হাইকোর্টের রায়কে স্মরন করিয়ে ডেপুটেশন দেবেন নির্বাচন কমিশনের সিইও-র কাছে।


DESCRIPTION OF IMAGE
Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.