Header Ads

najarbandi alok somman 2018

হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা প্রশাসনের! প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও শিক্ষকদের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সেপ্টেম্বরের ১ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যের শিক্ষকদের যে DO আর BLO-র কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছিল রাজ্য সরকার তা করতে না চাওয়া রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকরা একটি মামলা করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টে। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আইনজীবী ফিরদৌস সামিম মামলা লড়েন। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর এজলাসে মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে জানান "কখন শিক্ষকরা কাজ করতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করতে হবে, ছুটির দিনে তালিকা সংশোধনের কাজ করতে পারবেন শিক্ষকরা"।
পাশাপাশি তিনি আরও বলেন "স্কুল চলাকালীন ভোটারতালিকা সংশোধনের কাজে শিক্ষকদের নিজুক্ত করা চলবে না" এই রায় কিছুটা স্বস্তিজনক এবং আশাপ্রদ হলেও সম্পুর্ন খুশি হননি শিক্ষকরা। শিক্ষকদের মতে এটা শিক্ষক এবং সরকারের মধ্যে মধ্যস্থতা করার মত রায়। অন্য দিকে হাইকোর্ট এই রায় দেওয়ার পরেই শুরু হয় চরম অচলাবস্থা। কারন হাইকোর্টের রায় বেরোনোর পরেও কোন রকম সরকারি বিবৃতি শিক্ষকরা পাননি বলে অভিযোগ ওঠে। শিক্ষক দের আরও অভিযোগ সরকারি বিবৃতি হাতে না আসার জন্যে আধিকারিকদের একটা বড় অংশ বিএলও বা ডিও-র কাজ করার জন্যে চাপ দিচ্ছেন তাঁদের।
এরই প্রতিবাদে গত  ৯ অক্টোবর বিকেল ৩টের সময় শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের প্রতিনিধিরা হাইকোর্টের রায়কে স্মরন করিয়ে ডেপুটেশন দেন নির্বাচন কমিশনের সিইও-র কাছে। ইতিমধ্যে ৩১ শে অক্টোবরের সময়সীমা শেষ হয়। আর সময়সীমা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই নতুন বিবৃতি জারি করে সরকার শিক্ষকদের জানিয়ে দেয়  রাজ্যের শিক্ষকদের যে DO আর BLO-র কাজের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে আরও ১৫ দিন! এই নতুন নির্দেশিকার বিরুদ্ধে আবার রাস্তায় নেমেছে "শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ"। শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের ব্যানার সামনে রেখে আজ দুপুর ১২টা থেকে চলছে ইলেকশন কমিশন অফিস ঘেরাও অভিযান। প্রচুর শিক্ষক শিক্ষিকা জমায়েত হয়েছেন নির্বাচন কমিশন দফতরের সামনে। সেখানে মৌন মুখর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা। শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের এক প্রতিনিধি দল পৌঁছে গিয়েছেন নির্বাচন কমিশন দফতরের সিইও সাথে দেখা করতে এবং প্রতিবাদ লিপি জমা দিতে।অন্যদিকে শিক্ষক আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য রাখছেন নির্বাচন কমিশন দফতরের সামনে। জমায়েত হয়েছে চোখে পড়ার মত।
Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.