Header Ads

আন্দোলনের বড় সাফল্য? সর্ব শিক্ষামিশন থেকে টাকা বরাদ্দ হল স্কুল স্পোর্টসে!!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  প্রাথমিক শিক্ষকরা উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশান এর ব্যানারে কার্যত সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন পিআরটি স্কেলের দাবীতে, শুধু তাই নয়  বহু প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা স্কুলের খেলা চালাতে কোনও টাকা দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন এবং অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকারা চাঁদা দেননি! 
প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিগত বছর গুলির মত শিক্ষকদের থেকে "অবৈধ ভাবে" চাঁদা নেওয়ার প্রতিবাদ করে উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশান। শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল "সরকার খেলা,মেলা,কার্নিভাল,ক্লাবসহ নানা জায়গায় আমাদের করের টাকা অনুদান দেয় তাহলে শিশুদের খেলাতে অনুদান দেবে না কেন?"

এর পরেই রাজ্যে নানা জায়গায় চাঁদা বয়কট হয়। এমনকি শিক্ষামন্ত্রীকেও বিষয়টি জানানো হয়। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা বয়কটের ফলে শাসকদলের নেতাদের হাতে শিক্ষকদের হেনস্থা এবং হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ ওঠে। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতে বয়কটকারী শিক্ষকদের নামে কুৎসা করার জন্য পোষ্টারিং হয় তার ওপর গতকাল পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিল একটি নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষকদের নির্দেশ দেয় এবছরের সার্কেল, মহকুলা ও জেলা স্তরের খেলা পরিচালনার জন্য স্কুল পিছু ৫০০ টাকা করে ধার্য করা হয়েছে, এটি বাধ্যতামূলক!
এই নিয়েই শোরগোল পড়ে শিক্ষক মহলে। অন্যদিকে আবার গতকালই দঃ দিনাজপুরের DPO সর্ব শিক্ষামিশন থেকে প্রত্যেক বিদ্যালয়ের জন্য খেলা বাবৎ ৩,০০০ ও ৭,০০০ টাকা বরাদ্দ করেন ! একই দিনে পরস্পর বিরোধী দুই নির্দেশিকা সরকারি দফতরগুলির সমন্বয়ের অভাবকেই চিহ্নিত করে বলে মনে করছেন সংগঠনের শিক্ষকরা। দঃ দিনাজপুরের DPO-র জারি করা নির্দেশিকা কে আন্দোলনের বড় সাফল্য হিসেবে দাবি করা হয়েছে শিক্ষকদের তরফে।

No comments

Theme images by sndr. Powered by Blogger.