কেন এই বৈপরীত্য!

নজরবন্দি ব্যুরো: একি দেশের দুটি খেলা। একটি ফুটবল আর একটি ক্রিকেট। একটা দল খেলছিল অস্ট্রেলিয়ায় আর একটি আবুধাবিতে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জিতল দুটি খেলায়। রাতে জিতল ফুটবল আর সকালে জিতল ক্রিকেট। কিন্তু অদ্ভুতভাবে দেখা গেল বৈপরীত্য।
চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-১ ফলাফলে জিতল ভারত। তাও সেটা ৭২ বছর পর। অপর খেলাতে ৪-১ ফলাফলে থাইল্যান্ডকে হারাল ভারত সেটাও ৩২ বছর পর। সাফল্যের নিরিখে একটা অপরটি থেকে গুরত্বের বিচারে কম নয়। কিন্তু আমাদের এই বিরাট দেশে কোটি কোটি সমর্থকদের মতন বৈপরীত্য দেখালেন দেশের রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী থেকে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
 সেটা কি? অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিরাটদের জয়ে আপ্লুত এবং গ্রর্বিত দেশের এই সমস্ত মহান মানুষরা শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিলেন বিরাট বাহিনীকে। আবার দলের হেডমাস্টার রবি বাবু আর একটু এগিয়ে এই জয়কে ৮৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের থেকে বেশি বড় জয় বলে উল্লেখ করেছেন। যা নিয়ে বিতর্ক আছে। অপর দিকে ফুটবলের এই জয়ে দেশের মন্ত্রী থেকে নেতাদের কোন শুভেচ্ছা বার্তাই পান নি সুনীল ছেত্রীর ভারত!
 তাহলে সুনীলদের জয় কি ভারতকে বিশ্ব ফুটবলে গর্বিত করেনি? প্রশ্নটা এখানেই। বিরাট ব্যক্তিগত কৃতিত্বে বিশ্বের এক নম্বর ক্রিকেটার হয়েছেন। অপরদিকে কিন্তু ভারতীয় ফুটবল ক্যাপটেন সুনীল ছেত্রীও ব্যক্তিগত সাফল্যের নিরিখে বিশ্ব ফুটবলে প্রথম না হলেও দ্বিতীয় ফুটবলার। যার এখনও পর্যন্ত ৬৭ টি আন্তর্যাতিক গোল আছে। তিনি ইতি মধ্যেই পিছনে ফেলেছেন ব্রাজিলের নেইমার(৬০) এবং আর্জেন্টিনার মেসি(৬৫)কে। সামনে শুধু রোনালদো(৮৫)।
এটা কি ভারতীয় ফুটবলের জন্য গর্বের বিষয় নয়? সুনীলকে কি দেশের কোন নেতা তাঁর এবং তাদের এই সাফল্যের জন্য টুইট করে বা ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন? প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এর উত্তর 'না'। তাইতো টিভির পর্দায়, খবরের কাগজে, পোস্টারে, হেডিং-এ এক জনকে দেখা যায় কলার উঁচু করে আর অপর জনকে হাত জোড় করে বলতে হয় "মাঠে আসুন,আমাদের সমর্থন করুণ, ভারতীয় ফুটবলের সমর্থক হন।" সত্যি বিচিত্র এই ভারত।


Bengali Movie Air Hostess

DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.