সরকারি কর্মীরা ধর্মঘটে সামিল হলে শাস্তি দেওয়া অসম্ভব, স্পষ্ট করলো এবিটিএ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ 'সবার জন্য শিক্ষা, সবার জন্য কাজ' এই দাবিতে আগামি ৮ ও ৯ জানুয়ারি দেশ জুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে সিপিআইএম। সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই বনধ সমর্থনের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হলেও বামেদের ডাকা বনধকে রুখতে তৎপর হয়েছে তৃণমূল সরকার।

এবিষয়ে আজ নবান্নের তরফে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামি ৭ থেকে ১০ জানুয়ারি কোনো রাজ্য সরকারি কর্মচারী কোনো অজুহাতেই ছুটি নিতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে এই নির্দেশ অমান্য করলে তাদের ওপর নেমে আসবে শাস্তির খাঁড়া, এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আদৌ কি একজন সরকারি কর্মচারী স্বেচ্ছায় বনধে অংশ নিলে তার চাকরি জীবনে কোনো বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে? এবিষয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করলো এবিটিএ।

রাজ্যে সরকারি, আধা সরকারি, শিক্ষক শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ মানুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে যারা আগামি ৮ ও ৯ জানুয়ারি স্বেচ্ছায় ধর্মঘটে অংশ নেবেন তাদের চাকরি জীবনে কোনো বড়সড় শাস্তি প্রদান করতে পারনে না সরকার, এমনটাই জানানো হয়েছে এবিটিএ-এর ইস্তাহারে। প্রশ্নোত্তর আকারে প্রকাশিত সেই ইস্তাহারে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকারি কর্মীদের ধর্মঘট করার সম্পূর্ণ অধিকার আছে। এবিষয়ে বৈধ আইন প্রনয়ণ করে গেছেন জ্যোতি বসু৷ ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করলে প্রোমোশন, সিনিয়ারিটি, ইনক্রিমেন্ট কোনোকিছুতেই সমস্যা হবে না। ব্রেক অফ সার্ভিস কিংবা অবসরের দিন পিছিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়।

ধর্মঘটে অংশ গ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীদের পেনশন৷ গ্র‍্যাচুয়িটি কোনোকছুই আটকে দেওয়া সম্ভব নয় সরকারের পক্ষে৷ শাস্তিস্বরূপ কেবল সর্বোচ্চ এক দিনের বেতন কাটতে পারে সরকার। ধর্মঘটের সমর্থনে এই ব্যাখ্যা বিপুল সংখ্যক রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে এবিটিএ। এব্যাপারে শ্যামল চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "এমনিতেই আমরা এক মাস কাজ করলে তিন সপ্তাহের বেতন পাচ্ছি। আমাদের বকেয়া ডিএ-র টাকায় মেলা-খেলা উৎসব চলছে। পে কমিশন নিয়ে মশকরা হচ্ছে। এই জিনিস মেনে নেওয়া যায় না।"
Bengali Movie Air Hostess

DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.