হাওয়া ঘুরছে? জনরোষের মুখে লাভপুরের তৃণমূলের দোর্দন্ড-প্রতাপ নেতা মণিরুল ইসলাম।

নজরবন্দি ব্যুরো: বীরভূমের লাভপুরের 'ত্রাস' হিসাবে পরিচিত তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামই এবার নিজেকে জনরোষ থেকে বাঁচাতে প্রশাসনের সাহায্য চাইলেন। শনিবার বিকেলে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফেরার সময় বিধায়ক এলাকার মানুষের রোষের মুখে পড়েন বলে অভিযোগ। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা মণিরুলের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকেন এবং পরে গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।
কোনোক্রমে তখনকার মতো পরিস্থিতি সামাল দেন বিধায়কের দেহরক্ষী। ইতিমধ্যে বিধায়কের ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় লাভপুর থানার পুলিশ। জনতার হাত থেকে মণিরুল ইসলাম এবং তাঁর ছেলেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১১জনকে।


ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার থেকে। এলাকার বাসিন্দা সুপ্রভাত বটব্যালের মেয়ে প্রথমার অপহরণ ঘিরে। ৪৮ ঘণ্টা কাটার পরেও তাঁর কোনও খবর মেলেনি। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে থমকে গিয়েছিলেন এলাকাবাসী। এর প্রতিবাদে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ চালায় এলাকার লোকজন। এই পরিস্থিতিতে শনিবার দুপুর নাগাদ ইন্দাস হয়ে লাভপুরে নিজের গ্রামে ফিরছিলেন বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। জনতার ক্ষোভ গিয়ে পড়ে তাঁর ওপর। এলাকার মেয়েকে এভাবে অপহরণের পর কেন প্রশাসনের তরফে তাঁকে উদ্ধারের ব্যবস্থা নিচ্ছে না, কাদের মদতে এমন ঘটনা - এসব প্রশ্ন তুলতে থাকেন তাঁরা।

এর পরেই গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। জনরোষ এমনই তীব্র ছিল যে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়াও সম্ভব ছিল না তাঁর পক্ষে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বিধায়কের কিছুটা বাকবিতণ্ডা হয় বলেও জানিয়েছেন এলাকার লোকজন।
পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে না পৌঁছলে হয়ত বড়সড় হামলার মুখে পড়তেন তৃণমূলের দোর্দন্ড প্রতাপ নেতা মণিরুল ইসলাম।
লোকসভা নির্বাচনের আগে মণিরুল ইসলামের মতন তৃণমূলের ত্রাস বিধায়কের গাড়ি ঘিরে যেভাবে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার সাধারণ মানুষ, তাতে বেশ অবাক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই এই ঘটনার পরে বলতে শুরু করেছেন মণিরুল জামানা শেষ হতে চলেছে। এটা তার ইঙ্গিত। 
Bengali Movie Air Hostess

DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.