প্রশ্নফাঁসে বিশ্বরেকর্ড বিশ্ববাংলায়! বিদ্রুপে বিদ্ধ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইলেন ৯৫%!!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ লাগাতার ৭বার! আজও মাধ্যমিকের জীবন বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা গ্রহন শুরুর কিছুক্ষনের মধ্যেই প্রশ্নপত্র ঘুরতে শুরু করেছে হোয়াটস অ্যাপ-এ বলে অভিযোগ।
এর আগে ৬টি বিষয়ে যথাক্রমে বাংলা, ইংরাজি, ইতিহাস, ভূগোল, অঙ্ক এবং ভৌত বিজ্ঞানের প্রশ্ন পত্র ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটেছে। এই নিয়ে ৭বার। প্রশ্ন ফাঁসে ডাবল হ্যাট্রিকও ছাড়িয়ে গেল রাজ্যে! নজরবন্দির দফতরেও এসে পৌঁছেছে সেই 'লিক' হওয়া প্রশ্নপত্র। এই সরকারের আমলে বহুবার প্রশ্ন ফাঁস হবার অভিযোগ উঠেছে কিন্তু লাগাতার ৭ বার মাধ্যমিক স্ট্যান্ডার্ডের মত পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতের ইতিহাসেই কোনদিন ঘটেনি। রাজ্য এই ঘটনায় CID তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।


 ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে গঠন হয়েছে সিট। কিন্তু সিআইডি বা সিটের তদন্তের মাঝেই আবারও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা চূড়ান্ত লজ্জার। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যার্থতাকে দায়ী করছেন বিরোধীরা।সিপিআইএম নেতা তথা বিধানসভার বামপরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন "অপদার্থ ওয়ার্থলেস একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন সরকার চলছে। এখন মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরনায় স্কুল কমিটিগুলো একমুখী মনোভাবে চলছে। সবটাই তো শাসক দল তার বাইরে কিছু না”। কিন্তু CID তদন্ত ঠিক মতো হচ্ছে তো?এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্য জুড়ে।

কারণ কিছুদিন আগে সারদা তদন্ত যে “সিট” ঠিক মতো কাজ করতে পারেনি তা নিজে মুখে স্বীকার করেছিলেন তৎকালীন “সিট” এর প্রধান রাজীব কুমার। আর এই পরপর ৭ বার প্রশ্নপত্র লিক হবার ঘটনা তে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার হাল।ফলে যে তদন্ত চলছে তাতে কি তাড়াতাড়ি এই অপরাধীরা ধরা পড়ে উপযুক্ত শাস্তি পাবে? না আবার আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিকেও বজায় থাকবে প্রশ্ন ফাঁসের পরম্পরা? এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে সব মহলে। বিরোধীদের দাবি এই ঘটনার নৈতিক দায় স্বীকার করে অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত শিক্ষামন্ত্রীর। পাশাপাশি সোস্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপের ঝড় উঠেছে শিক্ষামন্ত্রীকে কেন্দ্র করে।
এই বিষয় নিয়ে  নজরবন্দির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে একটি জনমত সমীক্ষা রাখা হয়েছে।
পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রাখা হয়েছে
প্রশ্ন ফাঁসের দায় স্বীকার করে ইস্তফা দেওয়া উচিত শিক্ষামন্ত্রীর?
উত্তর দিতে পারেন 'না' অথবা 'হ্যাঁ' অপশনে। উল্লেখ্য বিষয়, কেউ চাইলেও একবারের বেশি ভোট দিতে পারবেন না। এখন পর্যন্ত ৪০২১ টি ভোট পড়েছে যার মধ্যে ২২১ জন(৫% পাঠক) ভোট দিয়েছেন 'না' অর্থাৎ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চান না অপশনে এবং ৩৮০০ জন(৯৫% পাঠক) ভোট দিয়েছেন হ্যাঁ  অর্থাৎ পদত্যাগ চান অপশনে!
ভোট দিতে পারেন আপনিও। ভোটিং অপশন খোলা থাকছে আগামী ২ দিন। ভোট দিন আপনার পছন্দের অপশনে।
ভোট দেওয়ার জন্যে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
প্রশ্ন ফাঁসের দায় স্বীকার করে ইস্তফা দেওয়া উচিত শিক্ষামন্ত্রীর?

Bengali Movie Air Hostess

DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.