ফের সব্যসাচীর বাড়িতে যাচ্ছেন মুকুল! পাশে দাঁড়াবার বার্তা চাণক্যের

নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলার রাজনীতিতে বহুদিন ধরেই তাঁদের আলাপ। আর একটু নির্দিষ্ট করে বললে বলা ভাল অনেকটা 'দাদা-ভাইয়ের' সম্পর্কের মতন। গোটা নাটকের শুরু হয়েছিল সেখান থেকেই। লোকসভা ভোটের মাস দুয়েক আগে হঠাৎ এক সন্ধ্যায় সল্টলেকের মেয়র সব্যসাচী দত্তর বাড়িতে এসেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তাঁকে লুচি আলুর দম খাইয়েছিলেন সব্যসাচীর স্ত্রী।


মেয়র সব্যসাচী সঙ্গে সে দিন থেকে মনকষাকষি শুরু মুখ্যমন্ত্রীর। রবিবার সেই সব্যসাচীকে যখন বিধাননগরের মেয়র পদ থেকে সরানোর ব্যাপারে দিদি এক প্রকার মনস্থ করে ফেলেছেন, তখন খবর পেয়ে তাঁর বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলেন মুকুল রায়।

তিনি বলেন, অন্য দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আমার কথা বলা ঠিক নয়। কিন্তু সব্যসাচী আমার ভাইয়ের মতো। ওঁর সঙ্গে অন্যায় করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ভাবে কাউকে মেয়র পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া যায় না। সব্যসাচীকে সরিয়ে যে ভাবে ডেপুটি মেয়রকে পুরসভা চালাতে বলা হচ্ছে তা সংবিধান বিরোধী।
মেয়র পদ থেকে কাউকে সরাতে গেলে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে হয়। সেই অনাস্থা প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি করতে হয়।

এর পরে মুকুল রায় বলেন, সব্যসাচী তো মমতার দেখানো পথেই রাজনীতি করছিল। লোকসভা ভোটে উনি তো ওনার রাজারহাট বিধানসভায় তৃণমূলকে জিতিয়েছেন। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ওনার পাড়ায় হেরেছেন। তা ছাড়া তৃণমূলের ১২১ জন বিধায়ক যে নিজের নিজের এলাকায় হেরেছেন, তাঁদের অনেকেই লোকসভা ভোটে বিজেপি-কে সাহায্য করেছেন! তা হলে সব্যসাচীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কেন ? এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে সমালোচনা করে সব্যসাচীর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন চাণক্য মুকুল রায়। 
DESCRIPTION OF IMAGE
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.