বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই কম্পিউটার শিক্ষকদের! উৎসবের মরশুমে বিদ্রোহের আবহ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ীকরণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্যের প্রায় সাড়ে ছয় হাজার আইসিটি কম্পিউটার শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন জায়গায় ও বিভিন্ন দপ্তরে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন সেই চিত্র একাধিকবার সামনে এসেছে। উৎসবের মরসুমে অর্থাৎ পুজোর মুখে আবারও তারা বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিলেন। সম্প্রতি রাজ্য সরকার ১৪ ই অগাস্ট ২০১৯ একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারিভাবে ঘোষণা করেন যে- রাজ্যের সমস্ত আইসিটি কম্পিউটার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন সাড়ে চার হাজার টাকা থেকে দশ হাজার টাকা করা হলো। কিন্তু আইসিটি কম্পিউটার শিক্ষক শিক্ষিকাদের অভিযোগ তারা - একমাসের বেশি পেরিয়ে গেলেও সেই হাতে পাননি। যদিও সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার করে বলে দিয়েছিল যে ১লা আগস্ট ২০১৯ থেকেই এই বর্ধিত বেতন লাগু হলো, কিন্তু অগাস্টের বেতন সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখে আইসিটি শিক্ষক শিক্ষিকারা পেলেও দেখা যায় তাদের বেতন সেই পুরনো হারেই অর্থাৎ সাড়ে চার হাজার টাকাই আছে। তাদের অভিযোগ তাদের এই বর্ধিত বেতন দিতে অস্বীকার করছেন il&fs (নতুন নাম- Schoolnet India Limited) সহ আরও দুটি অন্যান্য কোম্পানি (Access ও ExtraMarks) কোম্পানির কর্মকর্তাদের বক্তব্য- তারা সরকারিভাবে কোনো অর্ডার হাতে পাননি। অথচ রাজ্য সরকার সরকারিভাবে ১৪ই আগস্ট বিজ্ঞপ্তি উনাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন বলে সরকারি মহলের খবর।
তাই এবার রাজ্যের আইসিটি কম্পিউটার শিক্ষক-শিক্ষিকারা রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় জেলা স্কুল পরিদর্শক এর কাছে ডেপুটেশনের মাধ্যমে সমস্ত বিষয়টি তথা কোম্পানিরএই বর্বোরোচিত অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হলেন। এই উদ্দেশ্যে আজ কলকাতা জেলার প্রায় শতাধিক আইসিটি কম্পিউটার শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোলকাতা জেলার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক এর কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিলেন। সংগঠনের জেলা সভানেত্রী পামপি দাস জানান- তারা আজ হুগলী জেলার মাননীয় জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে সমস্ত বিষয়টি তুলে ধরেন এবং মাননীয় জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক মহাশয়- পুজোর আগেই সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। পামপি দাস বলেন যে- যদি পুজোর আগেই বর্ধিত বেতন (আগষ্ট মাসের বকেয়াসহ) ওনার হাতে না পান ,তাহলে আগামী দিনে ও অদূর ভবিষ্যতে কলকাতার রাজপথে আবারও তারা বৃহত্তর আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.