বঞ্চনার প্রতিবাদে স্নাতক শিক্ষকদের সম্মেলন ও ডি আই ডেপুটেশন!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাঁকুড়া শাখার -পক্ষ থেকে প্রথম জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল গান্ধী বিচার পরিষদের সভাঘরে।সম্মেলনে বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রায় তিন শতাধিক স্নাতক শিক্ষক -শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন। হাইকোর্টের রায়কে মান্যতা দিয়ে অবিলম্বে টি.জি.টি স্কেল চালু করা, ওয়েব বেসড স্টাফ প্যাটার্ণ বাতিল, ক্যাস ফেসিলিটি, ই.এল সহ ছয় দফা দাবী নিয়ে ডি.আই. বাঁকুড়ার নিকট একটি ডেপুটেশন দেওয়া হয়।
রাজ্য কমিটির সহসভাপতি সতীশ চন্দ্র মাহাত উপস্থিত ছিলেন সভায়। সংগঠনের জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দাস মহাশয় বলেন " আমাদের দাবী মানা না হলে, অবিলম্বে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়া হবে"।
উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত স্কুলের মাধ্যমিক স্তরের জন্য নিযুক্ত পাস গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক গন রোপা ২০০৯ এ চূড়ান্ত বেতন বৈষম্যের শিকার বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। সর্ব ভারতীয় স্তরে ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী (যা রোপা ২০০৯ এর সমতুল্য ) যেখানে ট্রেন্ড গ্র্যাজুয়েট ক্যাটেগরী শিক্ষক দের পে স্কেল ৯৩০০-৩৪৮০০, গ্রেড পে - ৪৬০০টাকা দেওয়া হয় সেখানে পশ্চিমবঙ্গের এই ক্যাটেগরী শিক্ষক দের(পশ্চিমবঙ্গে এদের পাস গ্র্যাজুয়েট ক্যাটেগরী শিক্ষক বলা হয়) পে স্কেল ৭১০০-৩৭৬০০, গ্রেড পে ৪১০০টাকা দেওয়া হয়।
সরকারি কর্মী..চাকরিপ্রার্থী, টাকা নেই..দানছত্র এবং মুখ্যমন্ত্রী! #Editorial অথচ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক দের ক্ষেত্রে সর্বভারতীয় স্তরের সঙ্গে সাযুজ্য যুক্ত পে স্কেল ও গ্রেড পে দেওয়া হয়েছিল। আরো অভিযোগ যে সর্বভারতীয় স্তরে একজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষক ও ট্রেন্ড গ্র্যাজুয়েট শিক্ষকের বেসিক পে তে পার্থক্য ছিল ১০১০টাকা সেই পার্থক্য পশ্চিমবঙ্গে ৩২১০টাকা রাখা হয়। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে গ্র্যাজুয়েট ক্যাটেগরী শিক্ষক দের সংগঠন বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচার্স এসোসিয়েশন লড়াই করে চলেছে।
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.