বেতন কমিশনের ঘোষণা ধোঁয়াশা পূর্ণ! আন্দোলন জারি থাকছে সরকারি কর্মীদের।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন অর্থাৎ ষষ্ঠ পে কমিশন কার্যকর হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী সাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন জানুয়ারি ২০২০ তেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেও ক্ষোভ কমেনি রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠন গুলির।
প্রসঙ্গত আজ নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় সরকারি কর্মী সংগঠনের সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বলেন,''ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্টের প্রথম অংশের রিপোর্ট পেয়েছি আজ। আমি নীতিগতভাবে বলছি, ওনারা যে সুপারিশ করেছেন, আমরা মেনে নেব। আমি অর্থনীতিটা কম বুঝি। ডিএ প্লাস বেতন কমিশন, আগে ১০০ টাকা বেসিক পে ছিল, ডিএ যুক্ত হলে আপনি পেলেন ১২৫। এরপর ডিএ ও পে কমিশন মার্জার হলে তখন এটা হবে ২৫৭। অর্থাত্ ১২৫ থেকে ২৫৭-য় দাঁড়াবে। ওনারা যেটা করেছেন, নূন্যতম বেসিক পে ৭০০০টাকা ছিল, সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৭,৯৯০। এছাড়াও এইচআরও, হাউস রেন্ট এসব আমার উপরে ছেড়ে দিন। পে কমিশন চলবে। আমি কমাবো না। সুপারিশ মানতে গেলে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ হবে।''
 পে কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উবাচ-
 *আজই মুখ্যমন্ত্রী পে কমিশনের প্রথম রিপোর্ট পেলেন
 *আজই ঘোষণা করতে পারতেন কিন্তু আরও কিছুদিন wait করতে হবে *Band pay and grade pay have been abolished and a new pay matrix has been introduced
 * রিপোর্টে যা recommend করা থাকবে তা মেনে নেওয়া হবে।
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে খুশি নয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারী কর্মচারী ইউনিয়ন। ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিপুল রায় বলেন, “যে সুপারিশ প্রকাশ করা হল তা কেন্দ্রের সপ্তম বেতন কমিশনের টুকলি মাত্র। এই কাজের জন্য অভিরূপ সরকারের মতো একজন অর্থনীতিবিদের চার বছর লাগার কথা নয়। কর্মচারী বঞ্চনাকে দীর্ঘায়িত করার জন্যই সরকার এই বিলম্ব করেছে। আগের ৪৮ মাসের এরিয়ার পাওয়া যাবে কি না অথবা তা কী ভাবে পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ জারি না করে মুখ্যমন্ত্রী ঝুলি থেকে কোনো রকমে একটা কিছু বের করে কর্মচারীদের হাতে তুলে দিতে চাইছেন। ২০১৯ সালে জানুয়ারি থেকে ১২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) ঘোষণা করলেও এখন ১২ শতাংশ বকেয়া রয়েছে, সে বিষয়েও কোনো সদুত্তর মেলেনি”। তাঁর দাবি ওই ঘোষণা ধোঁয়াশা পূর্ন! এতে সরকারি কর্মীদের দাবি আদায়ের আন্দোলন বিন্দুমাত্র কমবে না।
Loading...

No comments

Theme images by caracterdesign. Powered by Blogger.