Header Ads

বিধানসভায় হাতাহাতিতে জড়ালেন দুই দলের বিধায়ক!

নজরবন্দি ব্যুরো: ফের বিশৃঙ্খলা বিধানসভায়। রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ নিয়ে আলোচনা বিধানসভায়। অথচ অধিবেশনে উপস্থিত মাত্র তিনজন মন্ত্রী। বাকিরা তখনও অনুপস্থিত। এটা দেখেই খেপে যান কংগ্রেস বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী। পরিষদীয় প্রতিমন্ত্রী তাপস রায় দেরি করে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে মনোজ চক্রবর্তী তাঁর দিকে তেড়ে যান বলে অভিযোগ।
দু-পক্ষের হাতাহাতি বেঁধে যাওয়ার উপক্রম হয়। কোনওক্রমে পরিস্থিতি সামাল দেন অন্য বিধায়করা। মন্ত্রীর আচরণের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলা হয় বিধায়কদের তরফে। তিনি তা না করায় ওয়াকআউট করে বাম ও কংগ্রেস বিধায়করা।
এদিন বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হন কংগ্রেস, বাম বিধায়করা। কিন্তু শাসকদলের মন্ত্রীদের মধ্যে তখন হাজির হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ আরও ২ জন বিধায়ক। এই দৃশ্য দেখেই মেজাজ হারান বহরমপুরের কংগ্রেস বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী। তিনি জানতে চান, বাকি মন্ত্রীরা এখনও কেন আসেন নি তাঁরা। গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কেন তাঁরা এড়িয়ে যাচ্ছেন? এই সময় বিধানসভায় ঢোকেন বিধায়ক তাপস রায়। মনোজ চক্রবর্তী তাঁকে বলেন, "তাপস তুমি পরিষদীয় প্রতিমন্ত্রী। তাও এত দেরি করলে কেন? অভিযোগ, এই প্রশ্নের পরই তাঁর দিকে তেড়ে যান কংগ্রেস বিধায়ক।
তা নিয়েই শুরু হয়  ঝামেলা। মনোজ চক্রবর্তীর অভিযোগ, "মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে মন্ত্রী ঢোকেন। আমিও মন্ত্রী ছিলাম, ভগবান হয়ে যাইনি। তাপসকে এই প্রসঙ্গে নিঃশর্তে ক্ষমা চাইতে হবে।" এর পরে তাপস রায় অভিযোগের সুরে জানান, "আমার একটা জরুরি ফোন এসেছিল। স্পিকারের ঘর থেকে একসঙ্গে আসি। যে ভাষায় কথা বলা হয়, ওয়েলে নেমে তেড়ে আসা হয়, তা ঠিক নয়। প্রথমে হেসে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তেড়ে আসেন তিনি।" এক কথায় বললে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হয়। পরে অন্য বিধায়করা পরিস্থিতি সামাল দেন। 
Loading...

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.