Header Ads

করোনার বিরুদ্ধে বড় জয়ের পথে ভারত,সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ৪৮জন৷ #BreakingNews

অরুনাভ সেন, নজরবন্দিঃ খুশীর খবর এলে সবার সঙ্গে শেয়ার করার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব৷হ্যাঁ করোনাকে কিন্তু হারাচ্ছেন ভারতের ডাক্তার,নার্স,স্বাস্থ্যকমীরা৷গতকাল সংখ্যা ছিল ৩৭,আজ এক লাফে বেড়ে গেল সংখ্যাটা পৌঁছে হল ৪৮৷একেবারে সঠিকই শুনছেন আমাদের দেশের ৪৮ জন করোনা রোগী সম্পূর্ন সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷তাদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷অর্থাৎ বিনা যুদ্ধে করোনাকে সুচাগ্র মেদিনী ছাড়তে নারাজ ভারতের ডাক্তার-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা৷অকুতোভয় এই ডাক্তার-নার্সদের কূর্ণিশ করছে গোটা ভারতের মানুষ৷
করোনার শৃঙ্খলকে রুখতে ইতিমধ্যে ২১ দিন লক-ডাউনের কথা ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷বেশিরভাগ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন৷কারন করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রুখতে এছাড়া বিকল্প পথ সরকারের কাছে তেমন কিছু নেই৷লক-ডাউনকে উপেক্ষা করে অনেকে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন,আড্ডার মুডে মজার উদ্দেশ্যে৷বস্তুত কিছু মানুষের কান্ডজ্ঞানহীন আচরনে শিউরে উঠেছিলেন সচেতন মানুষ৷সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বেআক্কেলে পাবলিকদের সবক শেখাতে গোটা রাজ্য জুড়ে উঠেছিল দাবি৷বলাই বাহুল্য পুলিশ-প্রশাসন তাদের দায়িত্ব পালন করছেন অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে,দায়িত্ব সহযোগে৷অনেকেই বলছেন আমরা কথায়-কথায় পুলিশের সমালোচনা করি,কিন্তু বেয়াড়া পাবলিককে কিভাবে সবক শিখিয়ে ঘরবন্দি করতে হয়,পুলিশ সেটা দেখিয়েছে৷যদিও ২১দিনের লক-ডাউন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে৷বিশেষত যারা দিন আনেন,দিন খান,যাদের দু,দিনের রসদ মজুত করার ক্ষমতা নেই তারা কিভাবে বাঁচবেন?
সরকার শুধুমাত্র করোনার চেইন সিস্টেমটা ভাঙতে ব্যবস্থা নিচ্ছে কিন্তু গরিব মানুষের মুখে খাবার পৌঁছে দেওয়ার সরাসরি কোনও প্যাকেজের কথা বলেন নি৷সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু মানুষ বলছেন শারীরিক ভাবে আমাদের দুরত্ব বজায় থাকুক,কিন্তু মানসিক দুরত্ব যেন আমরা এই ক্রাইসিসের দিনে ভুলে না যাই৷গরিব-নিরন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারকে যেন অস্বীকার না করি৷মানবিকতা,মনুষত্বকে যেন অস্বীকার করি৷এতকিছুর মাঝেও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের কৃত্রিম অভাব তৈরি করা হচ্ছে৷কালোবাজারি,বেশি দামে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিক্রির অভিযোগ উঠছে গোটা রাজ্য জুড়ে৷
সাধারন মানুষ প্রশ্ন তুলছেন একে বাইরে বের হওয়া যাচ্ছে না,কিন্তু যেটুকু টাকা-পয়সা সম্বল সেটি নিয়ে বেঁচে থাকার রসদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে৷অনেক মুদি দোকানে ভোজ্য তেল থেকে অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর বাড়তি দাম চাইছেন অনেক অসাধু ব্যবসায়ী৷বাধ্য হয়ে মানুষ বাড়তি টাকা দিয়ে বেঁচে থাকার রসদ সংগ্রহ করছেন৷রাজ্যের সব মানুষের প্রশাসনের কাছে অনুরোধ অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি দাম নেওয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও সরকার বলপ্রয়োগ করুক৷ব্যবসায়ীরা যেন ভুলে না যান তাদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে৷মানুষের বিপদের দিনে মানুষের থেকে বাড়তি পয়সা নেওয়া সৎ ব্যবসায়ীর ধর্ম নয়৷
Loading...

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.